বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় সরাসরি আলোচনায় বসছে ইসরায়েল ও লেবানন
আগামী বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ও লেবানন direct talks বসতে যাচ্ছে, যা হবে তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার। এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এবং মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে first round বৈঠক হয়েছিল গত মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল।
প্রথম বৈঠকে ইসরায়েলের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার, আর লেবাননের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ। আসন্ন দ্বিতীয় দফায় লেইটারই আবার lead delegation দেবেন। লেবাননের পক্ষে এবার নেতৃত্বে থাকবেন রাষ্ট্রদূত সাইমন কারাম।
লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন বলেছেন, এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো halt hostilities করা, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব শেষ করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত পর্যন্ত লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। এগুলো হলো তাদের core demands ।
তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার পথে এগোতে mediation করেছেন। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টও এই আলোচনাকে গঠনমূলক বলে অভিহিত করেছে এবং আগামী সংলাপে facilitate dialogue করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দশক ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কোনো সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। এই বৈঠকগুলি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে একটি new phase হিসাবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মার্কিন উদ্যোগ diplomatic breakthrough এনেছে।
এতদিন পর সরাসরি কথা বলছে দুই প্রতিপক্ষ, কিন্তু বৈরী কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে কি? এটাই হলো real test আসল পরীক্ষা।
মার্কিন মধ্যস্থতা কতটা কার্যকর হবে, সেটা নির্ভর করবে ইসরায়েলের actual commitment প্রকৃত প্রতিশ্রুতির ওপর।
লেবাননের সেনাবাহিনী সীমান্তে মোতায়েন হলে স্থিতি ফিরবে, কিন্তু কতদিনে? peace process শান্তি প্রক্রিয়া সবসময় ধীরে হয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে diplomatic shift কূটনৈতিক পরিবর্তন এনেছে, কিন্তু টেকসই হবে কি না সময়ই বলবে।
প্রথম দফার পর আবার দ্বিতীয় বৈঠক? তার মানে আসলে talks moving আলোচনা এগোচ্ছে। একটু আশার আলো আছে।
দখলদারিত্ব শেষ করা এবং সেনা মোতায়েন—দুটোই বড় দাবি। কিন্তু ইসরায়েল কি সত্যিই withdraw forces বাহিনী প্রত্যাহার করবে?