তারাকান্দায় বর্ষবরণে হাতাহাতি, এমপির সমর্থকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব উত্তাল ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য new planটি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার সময় বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর সমর্থকদের pressure তৈরি হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র conflict দেখা দেয়, যা নিয়ন্ত্রণ হারায়।
সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহর সমর্থকদের অভিযোগ, তাঁদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় এবং কয়েকজনকে assaulted করা হয়। তাঁদের মধ্যে মাহাদি হাসান নামে একজন ভাতিজাও রয়েছেন। তাঁরা আরও দাবি করেন যে গত রমজানেও একই ধরনের হামলা হয়েছিল। অন্যদিকে, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার এসব অভিযোগ নির্ভরহীন বলে উড়িয়ে দেন এবং বলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শোভাযাত্রা করে আসছিলেন এবং ঘটনার সময় তিনি সেই স্থানে peace প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন।
এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে আজ বিকেলে ১১-দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি তারাকান্দা দক্ষিণ বাজার থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় বিএনপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলা হয়। হেদায়েতুল্লাহ নামে একজন আহত নেতাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে emergency ভাবে ভর্তি করা হয়, যা দলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার বর্ণনায় বলেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে সংক্ষিপ্ত tension হয়েছিল, তবে পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারাকান্দা থানার ওসি তানবীর আহম্মেদ বলেন, প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে স্বাভাবিক order ফিরিয়ে আনে। তবে হামলা হয়েছে কিনা, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইউএনও আমিনুল ইসলাম জানান, অনুষ্ঠান পুনরায় শুরু করা হয়েছে এবং সদস্য অনুষ্ঠান শেষে স্থান ত্যাগ করেন।
এই ঘটনা রাজনৈতিক trust ও সহিংসতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ময়মনসিংহ-২ আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকেই মুহাম্মদুল্লাহ ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। এমন প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক rivalry সাধারণ অনুষ্ঠানকেও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে, যা স্থানীয় শান্তির জন্য উদ্বেগজনক।
বর্ষবরণে এমন হাতাহাতি? রাজনীতি আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মিশলে সবসময়ই conflict দ্বন্দ্ব হয়।
একটা সদস্য অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন, আর বাধা দেওয়া হচ্ছে? এটা কি আদৌ democracy গণতন্ত্র?
বিএনপি নিজেদের পরাজয় মানতে পারছে না, তাই এমন কাজ করছে। এটা স্পষ্ট হুমকি।
আহত হওয়া লোকটির জন্য খারাপ লাগছে। এই রাজনীতির cost খরচ সাধারণ মানুষ দিচ্ছে।
প্রশাসন সবসময় 'খোঁজ নিচ্ছে' বলে। কখনো কি কেউ দায়ী হয়?
দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। কিন্তু সত্যি কী ঘটেছে, তা কেউ জানে না। trust আস্থা হারানো রাজনীতির চিরন্তন গল্প।