ময়মনসিংহে পারিবারিক ও রাজনৈতিক সংঘাতে বাবা-ছেলে বহিষ্কার
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক conflict মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, যেখানে বাবা-ছেলে একই দলের ভিতরে বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপি থেকে উভয়কেই এবার expelled করা হয়েছে, যার পেছনে দলের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে 'হানাহানি, সন্ত্রাস ও রক্তপাতের incident '-এর সুস্পষ্ট অভিযোগ।
গত ১২ এপ্রিল ছেলে তোফায়েল আহমেদ (রানা) নিজের কার্যালয় খুলতেই বিরোধ চরমে পৌঁছায়। বাবা মো. খোকা মিয়া নিজের সমর্থক নিয়ে কার্যালয় বন্ধ করার চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর allegation ওঠে ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় দুজন আহত হয়, এবং পুলিশ recovered করে ছয়টি তাজা গুলি ভর্তি ম্যাগাজিনসহ অস্ত্রের আইটেম।
এই internal দ্বন্দ্বের গোড়ায় রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ভিতরে ভাঙন। খোকা মিয়া ছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদের সমর্থক, আর তাঁর ছেলে ছিলেন 'বিদ্রোহী' প্রার্থী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমের পক্ষে। একই দলের মধ্যে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থনে বিভক্ত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই tension বাড়ছিল।
বিএনপি জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দলের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এই decision অপরিহার্য ছিল। খোকা মিয়া ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, আর তোফায়েল ছিলেন ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মী। উভয়ের প্রাথমিক membership ও সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
স্থানীয় মানুষের মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে concern তৈরি হয়েছে যে, রাজনৈতিক বিরোধ যেন পারিবারিক সম্পর্ককে আরও ভাঙবে না। একইসাথে, দলীয় unity ও শৃঙ্খলার প্রশ্ন উঠছে—এমন অভ্যন্তরীণ clash ভবিষ্যতে কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একই দলের ভিতরে এত গভীর বিভাজন? এটা শুধু পারিবারিক বিরোধ না, একটা warning সতর্কবার্তা যে দল ক্রমশ ভাঙছে।
বাবা-ছেলেকে গুলির অভিযোগে জড়ানো মানে বিষয়টা আর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, violence সন্ত্রাসে পরিণত হয়েছে।
দল যদি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে চায়, তাহলে এই ধরনের action ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি ছিল। কিন্তু এরপর কী হবে?
বিএনপির ভেতরে এত অস্থিরতা থাকলে আগামী নির্বাচনে support সমর্থন কেমন হবে ভাবতেই ভয় লাগে।
গুলি চালানোর মতো ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ কীভাবে তদন্ত করবে সেটাই এখন key গুরুত্বপূর্ণ।
পরিবার ভাঙলে শুধু তাদের দুঃখ নয়, গোটা এলাকার trust আস্থা নষ্ট হয়। রাজনীতি কতটা ব্যক্তিগত হয়ে গেছে!