বিএনপির রাজনীতি অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কোনো আপসের সুযোগ দেয় না: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, the policy হিসেবে বিএনপি কোনো ধরনের রাজনৈতিক compromise মেনে নেয় না, বিশেষ করে অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা ও আর্থিক stability নিয়ে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে কখনোই অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। এই কথা তিনি জাতীয় সংসদে এনসিপি’র সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, তাতে বার্তা স্পষ্ট: অতীতকে ভরসা করে বর্তমান confidence ফিরিয়ে আনা যায়।
গত দুই মাসে মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধেরও তথ্য দেন অর্থমন্ত্রী। এটি বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে করা হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নিয়মিত ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করে থাকে, আর তার জন্য বাজেটে আগাম বরাদ্দ রাখা হয়। transparency ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, এই পদক্ষেপগুলো অব্যাহত থাকবে।
পাচারকৃত অর্থ ফেরানোর জন্য government-to-government উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি রিকভারি সংস্থাগুলোকে নিয়োগ করা হয়েছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চলছে legal প্রক্রিয়া। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে পাচার হওয়া হাজার কোটি টাকা উদ্ধারে কূটনৈতিক ও পেশাগত উভয় পথে কাজ হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি ফোকাল পয়েন্ট গঠন করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক সমন্বয় করছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চাপের বেশিরভাগ কারণ আগের সরকারের সময়ে তৈরি হওয়া দায়। যদিও ব্যাংকিং খাতে pressure আছে, তবু সরকার কর-জিডিপি অনুপাত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তিনি স্বীকার করেন, এটা সময়সাপেক্ষ, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সম্ভব।
অবশেষে, কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না বলে জোর দিয়েছেন তিনি। নতুন ব্যাংকিং সংশোধনী খুলে দিয়েছে একটি open প্রবেশদ্বার, যেখানে সব বিনিয়োগকারীর জন্য সমান opportunity রয়েছে। তাঁর দাবি, কোনো একক গোষ্ঠী আমানতকারীদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে যাবে না। এটি একটি প্রতিযোগিতামূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি।
৯১ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ হয়েছে শুনে ভালো লাগলো, কিন্তু এই debt ঋণ আসলে আমাদের প্রত্যেকের ঘাড়ে। ভবিষ্যতে আর কম ঋণ নেওয়ার plan পরিকল্পনা কী?
বিএনপি নিয়ে এত কথা বলা মানে তো স্বীকার করলেন যে তারা আবার political রাজনৈতিক হাওয়া পাচ্ছে? নইলে এত তাড়াতাড়ি এমন বক্তব্য?
বেসরকারি রিকভারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ হয়েছে শুনে ভালো লাগলো, কিন্তু সত্যিই কি তারা effective কার্যকর হবে? আগেও অনেক বার চেষ্টা হয়েছিল।
এস আলম গ্রুপের নাম উল্লেখ না করলেও সবাই বুঝলো কাদের কথা বলা হচ্ছে। একটা clear স্পষ্ট বার্তা গেল।
কর-জিডিপি অনুপাত নিয়ে চিন্তা আছে শুনে ভালো লাগলো। কিন্তু ট্যাক্স দিতে গেলে এখনো ব্যুরোক্রেসি এত বেশি কেন?
‘পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনীতি’ না করার কথা বলেছেন, কিন্তু এখনকার ব্যাংকিং আইন amendment সংশোধনী তো কিছুটা বিতর্কিত। এটা নিয়ে ব্যাখ্যা দরকার।