I-PAC নেতার গ্রেফতারে অভিষেকের তীব্র প্রতিক্রিয়া: 'বাংলার উপর চাপের হাতিয়ার'
arrest করা হয়েছে I-PAC-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেলকে, কয়লা পাচারের মামলায় ইডি-এর তরফে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের election -এর মাত্র ১০ দিন আগে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই পদক্ষেপকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন, বলেছেন, এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি chilling message ।
অভিষেকের মন্তব্য, যখন রাজ্যটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে moving forward , তখন এমন সময়ে এই গ্রেফতারি শুধু উদ্বেগজনক নয়, এটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার ধারণাকেই নড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেছেন, এটি সাফ ইঙ্গিত যে বিরোধী দলের সঙ্গে যুক্ত কাউকে লক্ষ্য করেই এমন targeted action নেওয়া হচ্ছে।
অভিযুক্ত ভিনেশ চান্ডেলের বিরুদ্ধে বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। ইডি-এর তরফে এর আগে প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিংকেও তলব করা হয়েছিল। আগামী ১৭ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার hearing রয়েছে। এর ঠিক আগে চান্ডেলের গ্রেফতারি আরও বেশি suspicious মনে করা হচ্ছে।
অভিষেক আরও বলেছেন, দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কিছু মানুষ যখন পক্ষ পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে সুরক্ষা পাচ্ছেন, তখন অন্যদের রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক সময়ে pressure দেওয়া হচ্ছে। এতে জনগণের public trust ক্ষয় হচ্ছে। তিনি ইডি, সিবিআই, এনআইএ-এর মতো সংস্থাগুলোকে tool হিসেবে ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করেছেন।
তিনি অমিত শাহ এবং বিজেপি নেতৃত্বের উদ্দেশে সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন—বাংলাকে ভয় দেখিয়ে কাবু করা যাবে না। বাংলার মাটি চাপের মুখে resistance গড়ে তোলে। আগামী ৪ ও ৫ মে ভোটের মাঠে সবাই মুখোমুখি হবে, শুধু ভোট নয়, গণতন্ত্রও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যত নির্ভর করছে এই লড়াইয়ের উপর।
ভোটের মাত্র ১০ দিন আগে এমন arrest গ্রেফতার—এটা আর কিছু না, রাজনৈতিক pressure চাপ তৈরির খেলা।
আগে দুর্নীতির অভিযোগে অন্য দলের লোক গ্রেফতার, এখন বিরোধী প্রার্থীদের ঘাঁটি আক্রান্ত। পার্থক্য কোথায়? double standard ডবল স্ট্যান্ডার্ড নাকি?
বাংলা ভয় পায় না। চাপ দিলে আমরা আরও জোরে voice কণ্ঠ তোলব।
গ্রেফতারির পেছনে যদি সত্যিই আইনি ভিত্তি থাকে, তবে সেটা আদালতেই প্রমাণিত হবে। কিন্তু সময়টা দেখে suspicious সন্দেহ যায় না।
এই ধরনের action পদক্ষেপ দেখে সাধারণ মানুষের trust আস্থা কমে যায়। প্রতিষ্ঠানগুলো কি আর নিরপেক্ষ?
৪ ও ৫ মে ভোট। সেদিন জনগণই চূড়ান্ত decision সিদ্ধান্ত নেবে।