‘কমিটমেন্ট’ ঠিক রাখছে জামায়াত, একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা মিতুর
১১ দলীয় জোটের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির নেত্রী মাহমুদা আলম মিতু বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী তাদের political commitment ঠিক রেখেছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তার মতে, জোট মানেই হলো কমিটমেন্ট, এবং সেই commitment এখনও সম্মানিত হচ্ছে।
মিতু বলেন, অনেক বড় party জোটে যোগ দিলেও তারা সবসময় প্রতিশ্রুতি রাখতে পারে না। তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের আসন বাড়ানোর জন্য জোটের প্রার্থীদের যথাযথ respect দেয় না। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী সেই difference তৈরি করেছে, যা রাজনৈতিক আচরণে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত এবং জোটের সিদ্ধান্তে শহীদ জাবিরের মা-কে প্রার্থী হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু একটি symbolic সিদ্ধান্ত নয়, বরং জুলাই আন্দোলনের প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ। এ কারণেই শহীদ পরিবারের কাউকে এখানে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, জোটের অন্যান্য নারী candidate রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ, যা ভবিষ্যতের আশা জাগায়।
মিতু আশা প্রকাশ করেন যে তাদের পথচলা হবে সুন্দর। তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নারীদের social security , healthcare এবং শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করবেন। এছাড়া জনকল্যাণের স্বার্থে তারা আইন প্রণয়নেও ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি জানান।
এনসিপি নেত্রী জামায়াতে ইসলামী ও নিজ দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তার মতে, তাকে যোগ্য মনে করে nomination দেওয়া হয়েছে। এটি শুধু ব্যক্তিগত সম্মান নয়, বরং একটি collective বিশ্বাসের প্রকাশ।
জোটে থাকা মানেই কি সবসময় প্রতিশ্রুতি রাখা? অনেক সময় দেখি power ক্ষমতা পেতে গেলে সব ভুলে যায়।
শহীদ পরিবারের কাউকে প্রার্থী করা হয়েছে—এটা খুব meaningful অর্থপূর্ণ। জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এভাবে বাঁচিয়ে রাখা উচিত।
নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তা আর স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলছেন, কিন্তু কীভাবে করবেন? practical বাস্তব পরিকল্পনা কি আছে?
একেবারেই নতুন কিছু না। প্রতিবার এমন কথা শুনি, কিন্তু follow-up অনুসরণ হয় কম।
জামায়াত সম্মান করছে শুনে অবাক লাগছে। আগে এদের record রেকর্ড খুব ভালো ছিল না।
যদি সত্যিই কাজ করে, তাহলে ভালো। কিন্তু trust বিশ্বাস করা এখনও একটু ভারী।