প্লেব্যাকের বাইরেও অরিজিৎ: কীভাবে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছেন সেই গায়ক?
entertainment জগতের এক অবিস্মরণীয় নাম অরিজিৎ সিং, যার কণ্ঠ মানুষের হৃদয়ে সংগীতের নতুন সংজ্ঞা এনেছে। ২০২৬ সালে যখন তিনি প্লেব্যাক গান গাওয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন, তখন সবাই অবাক হয়ে গিয়েছিল। উচ্চমাত্রায় সাফল্য পাওয়া এক শিল্পীর এমন সিদ্ধান্ত ছিল অপ্রত্যাশিত। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের পরেও তার income গতি কমেনি, বরং আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। এখন তার মোট wealth ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা শুধু তার কণ্ঠের প্রতি মানুষের ভালোবাসা নয়, বুদ্ধিমানের মতো career পরিচালনার প্রমাণ।
এখন অরিজিৎ সিংয়ের মূল আয়ের উৎস হল live কনসার্ট। একটি সম্পূর্ণ স্টেজ শো-এর জন্য তিনি ২ কোটি থেকে ১৪ কোটি টাকা পর্যন্ত নেন। এই পরিসরে তার শো-এর premium টিকিটগুলি অনেক সময় সাধারণ মানুষের বাজেটের বাইরে চলে যায়। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে তার গানগুলি কোটি কোটি বার শোনা হয়, যা থেকে চলছে নিয়মিত রয়্যালটি আয়। এছাড়া, digital মাধ্যমে তার নিজস্ব চ্যানেল 'ওরিয়ন মিউজিক' এবং স্পটিফাই ব্যবহার করে তিনি নিয়ন্ত্রণ রাখেন নিজের সৃষ্টির উপর।
জীবনযাপন নিয়ে তার মনোভাব অত্যন্ত সাদামাটা, কিন্তু property নির্মাণ তিনি করেছেন বিশাল পরিসরে। মুম্বাইয়ের ভার্সোভায় রয়েছে চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, যার প্রতিটির দাম প্রায় ৯ কোটি টাকা। নভি মুম্বাইতেও রয়েছে কয়েক কোটি টাকার আবাসন। এই সম্পদ শুধু আয়ের ফল নয়, তার বছরের প্রায় ৭০ কোটি টাকার earning এবং চুক্তি পরিচালনার মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাণিজ্যিকভাবে। তার গ্যারেজে রয়েছে রেঞ্জ রোভার এবং হামার সহ দামি গাড়ি, যা তার সাফল্যের অদৃশ্য বার্তা বহন করে।
অরিজিৎ কেবল সম্পদ জমাই না, বরং তা ভাগ করে নেন charity করে। তার জন্মস্থান জিয়াগঞ্জে তিনি পরিচালনা করছেন একটি রেস্তোরাঁ, যা সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী খাবার সরবরাহ করে। এছাড়া, দুস্থ শিশুদের education নিশ্চিত করতে তিনি চালাচ্ছেন একটি ফাউন্ডেশন। এই কাজগুলি তার জনপ্রিয়তাকে আরও গভীর করেছে। সঙ্গীতের মাধ্যমে আয় করা হলেও, তার প্রভাব ছড়িয়েছে community -এর আরও গভীরে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে কৃতিত্ব এবং মানবিকতা একসঙ্গে থাকতে পারে।
legend কিংবদন্তি তো বটেই, কিন্তু এত টাকা কীভাবে কামাচ্ছেন ভাবতেই অবাক লাগে!
ভার্সোভায় এতগুলো ফ্ল্যাট? একজন গায়কের কাছে এটা unreal অবাস্তব মনে হচ্ছে।
তাঁর লাইভ শো কখনও মিস করব না। এমন performance পারফরম্যান্স আর কারও নেই।
আমাদের এলাকায় রেস্তোরাঁ খুলেছেন? এটা আসলেই proud গর্বের বিষয়।
মানুষ শুধু গান শুনে না, একটা আবেগ খোঁজে। অরিজিৎ সেই আবেগ দেয়।
১৪ কোটি টাকা একটা শো-এর জন্য? এটা তো আমাদের মতো common সাধারণ মানুষের জন্য অসম্ভব।
সত্যি বলতে, স্ট্রিমিং থেকে এত আয় হয় জানতাম না। ডিজিটাল দুনিয়া ভালোই কাজ করছে।
গাড়িগুলো চমৎকার, কিন্তু তাঁর মানবিকতাই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।