হঠাৎ থেমে গেল তারকার হৃদয়: দিব্যাঙ্কা সিরোহির অকাল মৃত্যু, কী শেখা গেল?
entertainment জগতের আকাশে আবার ঘনিয়ে এলো শোকের মেঘ। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই চিরতরে থেমে গেল জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সোশ্যাল মিডিয়া influencer দিব্যাঙ্কা সিরোহির হৃদয়ের স্পন্দন। মঙ্গলবার গভীর রাতে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে নিজের বাড়িতে sudden হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরিবার তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। একটি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়া শোকে ভেঙে পড়ে। হরিয়ানভি মিউজিক industry থেকে শুরু করে লক্ষাধিক অনুরাগী shock আচ্ছন্ন।
digital পৃথিবীতে তাঁর প্রবেশ ঘটে টিকটকের পথে। দীপাবলির সময় সুনন্দা শর্মার একটি গানে তাঁর অভিব্যক্তিতে ভরা ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়, যা প্রায় ২০ মিলিয়ন মানুষ দেখেছিলেন। সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি রাতারাতি তারকা। টিকটকে অনুসরণকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ৫ মিলিয়ন, আর ইনস্টাগ্রামে followers হয় ১.৩ মিলিয়নের বেশি। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল নির্ভুল, প্রতিটি content ছিল সংযোগের সেতু। যুব সমাজের হৃদয়ে তিনি কেবল মুখই নন, ছিলেন এক voice ।
উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরের আদি বাসিন্দা দিব্যাঙ্কা পড়াশোনাতেও ছিলেন অসাধারণ মেধাবী। চৌধুরী চরণ সিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে BCA করার পর সিকিম থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এই education ছিল তাঁর জীবনের ভিত। গাজিয়াবাদে পরিবারের সঙ্গেই ছিল তাঁর বাস — বাবা-মা এবং ঠাকুরমার সঙ্গে। ভাই হিমাংশু ও দুই বোন দিপাংশু ও জাসমিতের প্রতি তাঁর ছিল অগাধ ভালোবাসা। এমন একজন প্রতিভাবান মানুষ হঠাৎ চলে যাওয়া মাত্র loss নয়, এটি একটি প্রজন্মের জন্য warning ।
হরিয়ানভি গায়ক মাসুম শর্মার সঙ্গে তাঁর অভিনীত সুপারহিট মিউজিক ভিডিওগুলি এখনও অনুরাগীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। গত ১৯ মার্চ তাঁর শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ভক্তদের শোকবার্তার ভিড়। তাঁর নাচের ভিডিওতে এখন অশ্রুর ছোঁয়া। এখনও পরিবার কোনো official বিবৃতি দেয়নি, কিন্তু তাঁর মৃত্যু যুবসমাজে হৃদরোগের growing ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কী পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনধারা? কী pressure লুকিয়ে আছে যুব প্রজন্মের হাসির পেছনে? এই প্রশ্নগুলো এখন আরও জোরালো।
এত তরুণী, এত প্রতিভা — কীভাবে হৃদরোগ? আমাদের জীবনযাপন নিয়ে concern উদ্বেগ না বাড়লে কী করে?
ওঁর ভিডিও দেখেই আমি নাচ শিখেছি। আজ শুধু শোক নয়, inspiration অনুপ্রেরণা হারালাম।
৫ মিলিয়ন followers অনুসরণকারী — কিন্তু শেষমেশ হারিয়ে গেলেন নিজের স্বাস্থ্যের দৌড়ে।
এমবিএ করেও কি মানসিক চাপ ও জীবনযাপনের impact প্রভাব কেউ বুঝতে পারে না?
স্বাস্থ্য নিয়ে অহেতুক আস্থা সবচেয়ে বড় বিপদ।
আমার ফেভারিট ছিলেন দিব্যাঙ্কা। এখন মনে হচ্ছে প্রতিটি হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকে কোনো stress টেনশন।
মেয়েটার মা ভেঙে পড়েছেন। কী সমর্থন পাবেন এখন?
যুব প্রজন্মের জন্য এটা একটা বড় জাগরণ।