যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরায়েলি সেনার বিশ্বব্যাপী নিন্দা
দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামে ইসরায়েলি সেনা যিশু খ্রিস্টের একটি statue ভাঙচুরের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে সারা বিশ্বে ব্যাপক নিন্দা ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। খ্রিস্টান অধ্যুষিত ডেব্ল গ্রামে ঘটনাটি ঘটার কথা জানা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবিতে একজন soldier বড় হাতুড়ি দিয়ে মূর্তির মুখে আঘাত করছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ছবিটি authentic বলে স্বীকার করেছে এবং disciplinary action নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু deep sorrow প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনাটিকে unacceptable বলে চিহ্নিত করেছেন। তিনি জানান, একজন সেনার হাতে ক্যাথলিক ধর্মীয় প্রতীক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর তাকে shock করেছে। তিনি দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে severe punishment ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার ঘটনাকে shameful বলে অভিহিত করেন এবং বিশ্বের সকল খ্রিস্টানের কাছে apology করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ ধরনের act ইসরায়েলের মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিরোধী। মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি সরকারের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে welcome জানিয়েছেন।
এটি হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হওয়ার কয়েক দিন পরই ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগেও ইসরায়েলি সেনারা দক্ষিণ লেবাননে খ্রিস্টানদের religious sentiments আঘাত হানার মতো ঘটনায় জড়িত ছিল। আগে একটি গির্জায় বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে বিদ্রুপের ভিডিও প্রকাশিত হয়েছিল।
বর্তমানে আইডিএফ দাবি করছে যে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তিটি reinstall করতে স্থানীয়দের সাহায্য করছে। সংস্থাটি এছাড়াও একটি criminal investigation শুরু করেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক tension ও ধর্মীয় sensitivity নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলেছে।
একজন সেনা একা করেছে হলেও military conduct সামরিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
ধর্মীয় প্রতীককে disrespect অপমান করা কখনোই ঠিক না, এটা মানবিক বিষয়।
ইসরায়েল সরকার দ্রুত response প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, কিন্তু আগে থেকে নজরদারি কেন ছিল না?
এই ধরনের ঘটনা religious conflict ধর্মীয় দ্বন্দ্ব বাড়ায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর।
মূর্তি ভাঙাটা নিশ্চয়ই ভুল, কিন্তু কেন এটা এখন প্রকাশিত হল? timing সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন আছে।
লেবাননে ইসরায়েলি উপস্থিতি নিয়ে আগে থেকেই tension উত্তেজনা ছিল, এটা আরও বাড়িয়েছে।