যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরকারী অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার চান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরকারী অন্তর্বর্তী সরকারের decision নিয়ে উত্তাল অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি চুক্তিটিকে ‘দাসখত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এর বিরুদ্ধে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের risk তুলে ধরেছেন। আজ শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির আসন থেকে তিনি এ কথা বলেন। চুক্তি বহাল রাখলে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারাবে বলে তাঁর warning ।
অধ্যাপক মুহাম্মদ বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার freedom হারাবে। তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, যেমন তখন ভারতের প্রতিটি কাজ ব্রিটিশ ভাইসরয় ঠিক করত, আজ আমেরিকা তার কৌশলগত স্বার্থের pressure আমাদের ওপর চাপাচ্ছে। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকার শুধু একটি চুক্তি নয়, স্টারলিংক, এলএনজি আমদানি, চট্টগ্রাম বন্দর—সবেতেই বিদেশি ক্ষমতাকে দেশের সম্পদ হস্তান্তর করেছে।
তিনি বর্তমান সরকারকেও accountability মধ্যে আনার দাবি জানান। একজন elected সদস্যও সংসদে এ বিষয়ে কথা বলছেন না কেন, এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, ঐকমত্য কমিশনের দিনগুলোতে নেতারা চা-বিস্কুট খেয়ে হাসি-ঠাট্টা করেছেন, কিন্তু কেউ বলেননি—এসব চুক্তি করবেন না। সে কারণে বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বও এই public trust ভাঙার জন্য দায়ী।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহা মির্জা বলেন, চুক্তি পড়ে তিনি কয়েক রাত ঘুমাতে পারেননি। এতে জ্বালানি খাত, স্থানীয় শিল্প সব control যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক হারুন অর রশিদ জানান, ওষুধের মূল্য market থেকে বাইরে চলে যাবে। সমাবেশে বক্তারা সংসদে চুক্তি প্রত্যাখ্যানের দাবি জানান।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাখতে হলে কোনো আধিপত্য accept করা যাবে না। ওয়াশিংটন, দিল্লি, বেইজিং—কারও কাছে মাথা নত করা হবে না। ২৫ এপ্রিল কমিটি তাদের report প্রকাশ করবে। তিনি সব স্তরের মানুষকে চুক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
কী ভয়ংকর reality বাস্তবতা! আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
একটা চুক্তি নিয়ে এত বড় আলোচনা কেন? আসলে কি আমরা বাইরের চাপেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি? pressure চাপ সত্যি কি এত বড়?
যদি ওষুধের মূল্য বাড়ে, তখন গরিব মানুষ কী করবে? এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দরিদ্রদের ওপর পড়বে।
অন্তর্বর্তী সরকার চুক্তি করলেও, বর্তমান সরকার নীরব কেন? accountability জবাবদিহিতা কোথায়?
‘দাসখত’—এক কথায় সব বোঝানো গেল। আমরা কি আবার ঔপনিবেশিকতার দিকে ফিরছি? risk ঝুঁকি খুব বেশি।
২৫ এপ্রিল প্রতিবেদন আসবে বলেছেন। সেটা কি শুধু কাগজের উপর থাকবে, নাকি কোনো action ব্যবস্থা হবে?