পহেলা বৈশাখে বেচাকেনায় হাসি ফুটেছে হকারদের মুখে
পহেলা বৈশাখের সকাল থেকেই রমনা পার্কের গেটে হকারদের মুখে হাসি। চরকি বিক্রেতা শফি উদ্দিন বলেন, new বছরের শুরুতে market ভালো, সকাল থেকেই চার হাজার টাকার বিক্রি হয়েছে। তাঁর কাছে আরও ৬০টি চরকি আছে, আশা করছেন দ্রুত বিক্রি হয়ে যাবে। বড় চরকি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, ছোটগুলি ২০ টাকায়।
পার্কের ভেতরে ও বাইরে হকারদের বিভিন্ন পণ্যের জমায়েত। প্লাস্টিকের ঢোল, বাঁশি, মাটির পুতুল, কাঠের গাড়ি, টমটম গাড়ি, বেলুন—সব কিছুতেই demand । গ্যাস বেলুন বিক্রেতা নিজাম উদ্দিন জানান, শিশুরা বেলুন কিনছে, আর বড়রা ছবি তুলছেন। শুধু ছবি তোলার জন্যই তাঁর income হয়েছে তিনশো টাকা।
কাগজের চরকি বিক্রি করছেন আরেক বিক্রেতা, যিনি ছোট চরকি ৩০ টাকায় বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, সকাল থেকে sales ভালো চলছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্রি করে কেরানীগঞ্জ ফিরবেন। আবার তালের আঁশের তৈরি পণ্য বিক্রি করতে এসেছেন হামিদ আলী। তিনি বগুড়া থেকে এসেছেন এবং বলেন, গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার risk কম, বিক্রি ভালো।
মাটির খেলনা ও কাঠের গাড়ি বিক্রি করছেন আরেক বিক্রেতা, যিনি বলেন বিকেলের পর pressure বাড়বে। তবে সব খরচ বাদ দিয়ে ৫-৬ হাজার টাকা profit হবে। বারডেম হাসপাতালের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তুর্য ছোট ঢোল ও একতারা কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, দাম কমাতে negotiation করছেন।
শাহবাগ মোড়ে মাটির তৈজসপত্র বিক্রেতারা জানান, ছোট পুতুল, প্লেট, বাটি ভালো বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু বড় পাতিল বা পুতুলের ক্ষেত্রে concern রয়েছে। এদের বিক্রি হচ্ছে না। তবু পুরো দিনের plan হলো আরও গ্রাহক পেতে, যেন আয় হয়, আর support পায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
ছোট পণ্যে demand চাহিদা সবসময় বেশি, কিন্তু বড় জিনিস বিক্রি না হলে লাভ কম।
গ্যাস বেলুন ছবি তোলার জন্য টাকা নেওয়া? এটা তো income আয় করার নতুন উপায়!
এই হকারদের জন্য কোনো support সমর্থন সরকারি পর্যায়ে হওয়া উচিত।
পহেলা বৈশাখে এই বিক্রি মানুষের মনে joy আনন্দ আনে।
বিক্রি ভালো হলেও খরচ বাদ দিয়ে ৬ হাজার? খুব profit লাভ না।
দরদাম করা তো স্বাভাবিক, কিন্তু এটা negotiation দরদাম নাকি মজা?