ভোটের জন্য রাজ্যে ৯ দিন বন্ধ মদের দোকান! ৪ মে পর্যন্ত কবে বন্ধ, কত দিন খোলা? জেনে নিন
ভোটের আগে সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার নামে রাজ্যে the decision নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা public confusion আনছে। ২০ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে হঠাৎ করে মদের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এমনকি কলকাতার যাদবপুর, চৌরঙ্গী, গড়িয়া বা বড়বাজারের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দোকানগুলির সামনে crowds দেখা দিয়েছে। অনেকে বুঝতে পারছেন না—হঠাৎ এই ban কেন?
উত্তর মিলছে নির্বাচন কমিশনের guidelines থেকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আগেই স্পষ্ট করেছিল, মদ যেন ভোটের উপর influence না ফেলে। সেই লক্ষ্যে, ভোটের ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় আগে থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আবগারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। আবগারি দফতর তার ওপর ভিত্তি করেই এই move নিয়েছে।
ভোটের প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল, কিন্তু নির্দেশিকা অনুযায়ী মদের দোকান ২০ এপ্রিল থেকেই বন্ধ। এরপর ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত আবার restriction কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি, ৪ মে ভোট গণনার day দোকান বন্ধ থাকবে। এই সময়ক্রমে মোট নয় দিনের ড্রাই ডে ঘোষণা করা হয়েছে, যা নির্বাচনী আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের লক্ষ্যে।
কিন্তু এই সিদ্ধান্তের পিছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ concern রয়েছে। আবগারি দফতরের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, এপ্রিলের শুরু থেকেই মদের sales হঠাৎ বেড়ে গিয়েছে। প্রশাসনের ধারণা, এর মাধ্যমে কিছু middlemen ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এই risk কমাতেই কড়া action নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ২৪ এপ্রিল এবং ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার আগে দোকান খোলা হবে কিনা, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই। এই অনিশ্চয়তা deepens confusion । অনেক regular buyers বলছেন, তাদের পরিকল্পনা বানচাল হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের বাইরে থাকা কিছু মানুষও মদ আনতে আসেন, তাঁদের জন্য এই সময়টা বিশেষ করে সমস্যার। তবু, সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করার priority সরকারের কাছে বেশি, যা এখন সবার সম্মুখীন হওয়া চ্যালেঞ্জ।
ভোটের আগে দোকান বন্ধ করা যুক্তিযুক্ত, কিন্তু আগাম বললে মানুষ পরিকল্পনা করতে পারত। sudden action হঠাৎ সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলছে।
এই সময়ে মদের বিক্রি বাড়াকে ভোট প্রভাব হিসেবে দেখা হচ্ছে? আসলে গরম বাড়ছে, তাই consumption খাওয়া বাড়ছে। সবকিছুকে রাজনীতির চোখে দেখা হচ্ছে।
৪ মে গণনার দিন দোকান বন্ধ থাকা বোঝার বাইরে। সেদিন তো সবাই টিভির সামনে থাকবে। কে মদ খাবে? public trust জনআস্থা রাখা গেল কীভাবে?
আমি ২৪ তারিখে দুলাভাইয়ের বাড়ি যাচ্ছিলাম, মদ নিয়ে। এখন কী করি? কেউ জানায়নি যে দোকান বন্ধ। no warning একদম কোনো খবর নেই।
বিধি মানা দরকার, কিন্তু নিষেধাজ্ঞা জারির সময় কি আরও balanced সুষম হতে পারত? নাৎরাকে ডুবিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ভোট প্রভাব এড়াতে এটা জরুরি, কিন্তু কালোবাজারি বাড়বে। আসল সমস্যা তো তারা সমাধান করছে না। real issue মূল বিষয় এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আমাদের এলাকায় দোকান বন্ধ দেখে ভাবলাম কিছু হয়েছে। পরে বুঝলাম সব জায়গাতেই একই situation অবস্থা। সরকারি ব্যবস্থা, কিন্তু সময় জানানো উচিত ছিল।