শিশুদের জন্য প্রথম ম্যালেরিয়া ওষুধ: আশার নতুন দরজা
শত শত বছর ধরে ম্যালেরিয়া নিয়ে যে অন্ধকার ছিল, তার সঙ্গে ঘুমোয় কোটি কোটি মা-বাবার ভয়। আজ, সেই ভয়ের বিরুদ্ধে প্রথম বাচ্চাদের medicine এলো—বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রথমবারের মতো নবজাতক ও ছোট শিশুদের জন্য তৈরি অ্যান্টিম্যালেরিয়াল treatment প্রিকোয়ালিফিকেশন দিয়েছে। ওষুধটির নাম ‘আর্টেমেথার-লুমফ্যান্ট্রিন’, যা কেবল শিশুদের জন্যই ডিজাইন করা। এর আগে, বড়দের ওষুধ ভাঙিয়ে মাত্রা ধরা হতো—যা ঝুঁকি বাড়িয়ে দিত। এবার সেই ঝামেলা কমবে। quality , safety এবং effectiveness যাচাই করে ডব্লিউএইচও এটিকে আন্তর্জাতিক মানের উপযুক্ত ঘোষণা করেছে।
ম্যালেরিয়া কেবল একটি রোগ নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক সংকট—বিশেষ করে আফ্রিকার জন্য। ২০২৪ সালে ৮০টি দেশে ২৮ কোটি ২০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৬ লাখ ১০ হাজার মারা গেছেন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রই আফ্রিকায়, আর মৃত্যুর তিন-চতুর্থাংশ হয়েছে পাঁচ বছরের কম বয়সী children মধ্যে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, “শত শত বছর ধরে ম্যালেরিয়া বাবা-মায়ের কোল খালি করেছে।” কিন্তু এবার আমরা বদলের দিকে এগোচ্ছি। dream আর নয়, ম্যালেরিয়া নির্মূল এখন reality ।
এই প্রিকোয়ালিফিকেশন মাত্র একটি মাইলফলক নয়, এটি একটি দৃঢ় commitment । বিশ্বজুড়ে ৭০ শতাংশ দেশের নিজস্ব শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই ওষুধের গুণমান যাচাইয়ের জন্য। সেখানে ডব্লিউএইচও-এর এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পণ্যগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের মধ্যে নিয়ে আসে। এর ফলে সরকারি কেনাকাটা হবে সহজ। আফ্রিকার ম্যালেরিয়া প্রবণ এলাকাগুলোতে প্রতি বছর জন্ম নেওয়া প্রায় ৩ কোটি শিশুর জন্য এটি হতে পারে জীবনরক্ষাকারী পদক্ষেপ। এটি শুধু ওষুধ নয়, একটি hope ।
তবে চ্যালেঞ্জ এখনও কম নয়। মশার কাছে কীটনাশকের প্রতিরোধ, রোগ নির্ণয়ে failure , এবং বিদেশি সহায়তায় ঘাটতি ম্যালেরিয়া মোকাবিলাকে জটিল করে তুলছে। নতুন টিকা, মশার জাল, এবং শিশু-উপযোগী ওষুধ এগুলো হাতিয়ার। কিন্তু এর পেছনে লাগবে sustainable আর্থিক এবং রাজনৈতিক সমর্থন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—আমরা করতে পারি, আমাদের করতেই হবে। ম্যালেরিয়া আর নয়, বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ হোক আলোতে ভরপুর। future এখন আমাদের হাতে।
আমার ছোট্ট মেয়ে হয়েছে, এই খবর পড়ে মনে হচ্ছে তার জন্য বিশ্বটা একটু নিরাপদ হবে। safe নিরাপদ ভবিষ্যৎ চাই।
শিশুদের জন্য পৃথক ওষুধের দাবি বহুদিনের। এটা না থাকায় মাত্রার ভুলে অতিরিক্ত মাত্রা বা কম মাত্রা একটা বড় সমস্যা ছিল।
শুনে ভালো লাগলো। কিন্তু আমাদের গ্রামে এখনো মশার জাল পাওয়া যায় না, ওষুধ কবে পাব? access পৌঁছানো কি নিশ্চিত?
ম্যালেরিয়া নিয়ে তো সবসময় রাজনীতি হয়। অঙ্গীকার তো হবেই, কিন্তু funding অর্থায়ন কি হবে সত্যিকারে?
একটা বাচ্চার মৃত্যুও বেশি। এটা হলো প্রথম পদক্ষেপ।
প্রিকোয়ালিফিকেশন মানে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী approval অনুমোদন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।