বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি ফল প্রকাশ, পাসের হার মাত্র ৩০ শতাংশ
গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার new ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সকালে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই তথ্য আপলোড করা হয়, যা লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য চূড়ান্ত মুহূর্ত এনেছে। এ বছরের ফলাফল নিয়ে pressure তৈরি হয়েছে, কারণ পাসের হার মাত্র ৩০ শতাংশ।
ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন প্রকৃতপক্ষে পরীক্ষায় participation করেন। তবে পরীক্ষার কঠোর rules ও নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে অনেকেরই ফল খারাপ হয়েছে। ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে, আর প্রতিটি ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে।
উত্তীর্ণদের মধ্যে মাত্র ৩৮ হাজার ৮৮ জন রয়েছেন, যা মোট অংশগ্রহণকারীদের ৩০ শতাংশ। এর বিপরীতে, ৮৭ হাজার ৭৪০ জন (৬৯.৫০%) ৩০ নম্বরের নিচে পেয়েছেন। এছাড়া ১১০ জনের ফল decision অনুযায়ী বাতিল করা হয়েছে—বহিষ্কার, রোল, সেট বা শনাক্তকরণ ত্রুটির কারণে।
শিক্ষার্থীরা গুচ্ছের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করে তাদের ফল দেখতে পারছেন। পিন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করে ড্যাশবোর্ডে 'ফলাফল' অপশনে ক্লিক করলেই স্কোরকার্ড দেখা যাবে। এছাড়া মোবাইলে এসএমএস পাঠানো যাচ্ছে, আর শিটও ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যাচ্ছে। এ ধরনের ডিজিটাল access প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করেছে।
গত ১০ এপ্রিল সারাদেশের ২১টি কেন্দ্রে এক ঘণ্টার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিপ্রবি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিপ্রবি-সহ ২০টি প্রতিষ্ঠান। এই ফলাফল শুধু একটি report নয়—এটি লক্ষ্য নির্ধারণের একটি বড় step , যা লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের ওপর impact ফেলবে।
৩০% পাস? মানে প্রতি তিন জনের মধ্যে মাত্র একজন? এত pressure চাপ কেন? মেধা না বুঝে শুধু নম্বরের জন্য এত হিংসা?
আমি নিজে দিয়েছি। নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে বহু ভালো ছাত্রও নিচে নেমে গেছে। এটা একটা risk ঝুঁকি যে কেউ নিতে চায় না।
বিজ্ঞান ইউনিটে কঠোর মান দরকার। কিন্তু পাসের হার এত কম হলে public trust জনআস্থা কমবে। পদ্ধতি নিয়ে পুনর্বিবেচনা দরকার।
এসএমএস সুবিধাটা ভালো, কিন্তু কেন্দ্রে যাওয়ার খরচ আর তারপরও ফেল? একটা cost খরচ যে শুধু আর্থিক নয়, মানসিকও।
যারা ফেল করেছে তাদের জন্য দুঃখিত। কিন্তু নিয়ম তো প্রকাশিত ছিল। এখন পরবর্তী plan পরিকল্পনা কী, তা ভাবা দরকার।
প্রতি বছর এই একই গল্প। কবে একটা সত্যিকারের change পরিবর্তন আসবে? শুধু ফল দেখালে হবে না, মান বাড়াতে হবে।