দুদক পুনর্গঠন: কোন্ আইনে এখন?
গতকাল থেকে আর কার্যকর নেই ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ-২০২৫’। জাতীয় সংসদ যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকার জারি করা অধ্যাদেশটি new planটি আইন হিসেবে অনুমোদন করেনি, তাই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে গেছে। এর প্রভাবে দুদক এখন ‘কমিশনহীন’ অবস্থায় হালকা মতো দোদুল্যমান। মামলা দায়ের, অনুসন্ধান অনুমোদন, চার্জশিট দাখিল—সবই গত এক মাস ধরে বন্ধ। প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বা কোন decision অনুযায়ী এখন পরিচালনা হবে?
বিশ্লেষকদের মতে, অধ্যাদেশটি আসলে বিদ্যমান আইনের চেয়ে বরং risk বাড়িয়েছিল। অপরাধীদের অর্থদ-ের বিনিময়ে কারাদ- মওকুফের ব্যবস্থা, স্বীকারোক্তির আড়ালে রফা, পাঁচ সদস্যের কমিশনে নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা—এগুলো ছিল এর অংশ। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তো স্পষ্টই বলেছে, অধ্যাদেশটি কোনো reform ছিল না। বরং এটা ছিল দুর্নীতিবাজদের জন্য দায়মুক্তির পথ প্রশস্ত করা। বিশেষ করে সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ recommendation এতে প্রতিফলিত হয়নি।
তবে সরকার বলছে, এখন প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে new আইন আনা হবে। আপাতত, কিছু সংশোধনীসহ ২০০৪-এর পুরনো আইনই কাজ করবে বলে মনে করছেন অবসরপ্রাপ্ত আইনজীবী মঈদুল ইসলাম। তার মতে, অধ্যাদেশ জারির পর পর যেসব কার্যক্রম হয়েছে, সেগুলোর বৈধতা আছে। এমনকি অধ্যাদেশ অনুমোদিত না হলেও, তার প্রভাব quickly মুছে যায়নি। সেটি বহাল থাকবে, যতদিন না কোনো আইন বা নতুন অধ্যাদেশ দিয়ে তা বাতিল করা হয়।
এখন সবচেয়ে বড় issue হচ্ছে কমিশন পুনর্গঠন। গত ৩ মার্চ তিন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার পর এখনো কোনো নতুন কমিশন নিয়োগ হয়নি। কমিশন না থাকায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই মোটেই সম্ভব নয়। রাজনৈতিক pressure আছে, আমলাতন্ত্র আছে—এমনকি অদৃশ্য হাতের কথাও শোনা যায়। কিন্তু সরকার যদি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে, তাহলে জনগণের trust আর কতদিন টিকবে?
দুদক এখন বাংলাদেশের জনগণের trust আস্থা হারাচ্ছে। এতদিন কী হচ্ছিল, কেউ কি জানে?
এক মাস ধরে কমিশন নেই—এটা কীভাবে সম্ভব? দুর্নীতিবাজরা তো এখন স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরছে। pressure চাপ কখন তৈরি হবে?
অধ্যাদেশে কারাদ- মওকুফের ব্যবস্থা? এটা তো দুর্নীতিকে উৎসাহিত করছে! risk ঝুঁকি নয়, এটা তো সুযোগ!
সরকার যদি সত্যিই ইচ্ছুক হয়, তাহলে এত দেরি কেন? new নতুন আইন নাকি শুধু কথা?
আইনে পরিণত না হলেও অধ্যাদেশের কাজ চলে? এটা নিয়ে বিতর্ক থাকবে। decision সিদ্ধান্ত কে নেবে পরবর্তীতে?
সংস্কার চাই, আইন বদল চাই না। যে গুড়ো আছে, তাকে আবার সেদ্ধ করে খাওয়ানো হচ্ছে। reform সংস্কার মানে এটা নয়।