এখন টিভি | প্রথম ব্যবসায়িক টেলিভিশন
ভারতের সংসদে the bill পাশ হওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ায় কংগ্রেস ও তৃণমূল সহ বিরোধীদলগুলোকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নারী আসন সংরক্ষণ বিল পাশ না হওয়ায় তিনি দেশের নারীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আশ্বাস দেন যে এনডিএ জোট এ দাবি থেকে সরবে না। দু’দিনের তীব্র বিতর্কের পর ১৭ এপ্রিল বিকেলে লোকসভায় এই বিল ভোটে পাশ হয়নি, যা রাজনৈতিক মহলে তীব্র public reaction তৈরি করেছে।
মোদি জাতির উদ্দেশে দেওয়া তাঁর ভাষণে বলেন, “এবারও কংগ্রেস জোট নারী সংরক্ষণকে থামাতে একের পর এক নতুন মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।” তিনি দাবি করেন, দেশের ৮০ শতাংশ নারীর আশীর্বাদ এনডিএর সঙ্গে আছে এবং তারা এই demand থেকে পিছু হটবেন না। এই বিলটি ১৩১তম সংবিধান সংশোধনীর অংশ ছিল এবং লোকসভায় আসনসংখ্যা increase এবং নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব ছিল।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বিলটি পাশ না হওয়াকে কেন্দ্রীয় সরকারের defeat হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। হাওড়ায় এক জনসভায় তিনি বিজেপিকে লক্ষ্য করে বলেন, “আমি সব ধর্মকে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু আপনারা বাংলা ভাষীদের উপর অত্যাচার করছেন। মাছ-মাংস-ডিম খেতে দেওয়া হয় না আপনাদের রাজ্যে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে তৃণমূল আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আগের চেয়ে more seats পাবে।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা কালিম্পংয়ে বিজেপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচার করতে এসে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব illegal immigrants বিতাড়িত হবে।” মমতার প্রতিক্রিয়ায় তিনি উদ্ধৃত করেন, “ঠিক আছে, তোমাদেরও চলুক—আমাদেরও চলুক।” এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এখন সক্রিয় রুপালি পর্দার তারকারাও। মিঠুন চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিক, আজহারউদ্দিন ও ইউসূফ পাঠান সহ বেশ কয়েকজন celebrities বিভিন্ন জনসভায় অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মমতার অভিযোগ যে ফলাফল হাতছাড়া করার চক্রান্ত হতে পারে, তা নির্বাচনী আবহকে আরও tense করে তুলেছে।
এত বড় বিল ফেলে দেওয়া হলো কেন? নারীদের representation প্রতিনিধিত্ব না বাড়ালে গণতন্ত্র অসম্পূর্ণ।
মোদি বারবার বলছেন আমরা ছাড়ব না, কিন্তু বিরোধীদের দিকে আঙুল উঠাচ্ছেন। নিজেদের responsibility দায়িত্ব কই?
বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে এত কথা বলে মমতা, কিন্তু কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এত আক্রমণ কেন? রাজনীতি চলছে স্পষ্ট।
আসামের CM যখন বলছেন বাংলার মাটি চাই, তখন ভাবছি দেশের unity ঐক্য কোথায় যাচ্ছে।
সেলিব্রিটিরা ভোট প্রচারে আসছে, কিন্তু কতটা impact প্রভাব ফেলবে তা দেখার।
অনুপ্রবেশ নিয়ে এত কথা বলা হয়, কিন্তু কাজের কী? কাজ চাই, শুধু ভাষণ নয়।
ভোট আসছে, তাই এখন সবাই public attention জনদৃষ্টি কাড়ার পালা।