ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করায় ইরানের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল ইউটিউব
ইউটিউব গত সপ্তাহে একটি ইরান-বিরোধী গ্রুপের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়, যা নিয়ে তেহরান ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। account বন্ধের আগে গ্রুপটি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে একটি লেগো-স্টাইলের এআই ভিডিও প্রকাশ করেছিল, যেখানে ‘ইরান জিতেছে’ বলে দাবি করা হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এমন কৌতুকধর্মী ভিডিও কি সত্যিই নিষেধাজ্ঞার যোগ্য?
‘এক্সপ্লোসিভ মিডিয়া’ নামের গ্রুপটি এক্স-এ জানায়, ইউটিউব তাদের বিরুদ্ধে suspension চাপিয়েছে ‘সহিংস কনটেন্ট’ ছড়ানোর অভিযোগে। কিন্তু তাদের এআই অ্যানিমেশনে কোনো রক্তপাত বা আক্রমণ ছিল না—শুধু ট্রাম্প মুখোশ পরা লেগো চরিত্র লজ্জায় মাথা নিচু করে। গ্রুপটি বলে, এটি কি আদৌ violence হতে পারে?
শুক্রবার এক বিবৃতিতে তারা প্রশ্ন করে, “আমাদের কার্টুন কি সত্যিই এতটা risk তৈরি করেছিল?” এরা অভিযোগ করে, মূল লক্ষ্য ছিল ইরান-বিরোধী কার্যক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভূমিকা ঢাকা দেওয়া। তাদের বক্তব্য, প্ল্যাটফর্মগুলি নিরপেক্ষ নয়—নীতি প্রয়োগে pressure কাজ করে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে প্রেরণাপ্রাপ্ত বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, এটি মুক্ত কথোপকথনের উপর decision নেওয়ার একটি উদাহরণ, যা কেবল নির্দিষ্ট কণ্ঠস্বরকে silence করতে চায়। অন্যদিকে, গ্রুপটির অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে কার্যক্রম এখনো active রয়েছে।
একটা কার্টুন ভিডিওকে সহিংস বলা? এটা হলো censorship সেন্সরশিপ, নিরাপত্তা নয়।
ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করলেই যদি account অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়, তাহলে বিপজ্জনক ইশারা পাচ্ছে মুক্ত মতপ্রকাশ।
এআই দিয়ে বানানো লেগো ভিডিওতে কী সেই violence সহিংসতা? ইউটিউবের নীতি প্রয়োগ এখন অস্পষ্ট।
ইরান আর ইসরায়েলের দ্বন্দ্বে ডিজিটাল ময়দানও জ্বলছে। এখানে pressure চাপ প্রযুক্তিদানীদের উপর।
মজার বিষয়, অন্য অ্যাকাউন্টে রক্তাক্ত ভিডিও থাকলেও একটা কার্টুন বন্ধ হচ্ছে—মানে trust আস্থা কমছে প্ল্যাটফর্মের বিচারবুদ্ধিতে।
একটা মজার ভিডিও মানুষের attention মনোযোগ পাচ্ছিল—তাই কি তাকে ডিলিট করা হলো?