বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভাবময়তা ক্ষুণ্ন করছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভাবময়তা ক্ষুণ্ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. new সরকারের বৈদেশিক নীতি নিয়ে ঘোষিত প্রতিশ্রুতির সঙ্গে এই চুক্তির অসামঞ্জস্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখন আর কোনো দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা যাবে কিনা, সেটা নির্ভর করছে চুক্তির শর্তের ওপর — এটি দেশের sovereignty হ্রাস করছে। গতকাল রাজধানীতে আয়োজিত একটি প্রাক-বাজেট সংসদ বিতর্কে মূল অতিথির বক্তব্যে তিনি এই warning জারি করেন।
ড. ভট্টাচার্য বলেন, energy খাত গত ১৭ বছরে ছিল বিতর্কিত ও বিভ্রান্তিমূলক। দেশে গ্যাস সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগ হয়নি। তিনি মন্তব্য করেন, বাপেক্সকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে — অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর ভূমিকা পালন করছে না। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যর্থতা এবং স্বদেশী বিনিয়োগের অভাব দুটোই গুরুতর issue ।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি তিনটি সুপারিশ করেন: প্রথমত, গরিবের করের টাকায় ধনীদের ভর্তুকি বন্ধ করা; দ্বিতীয়ত, জ্বালানি exploration বিনিয়োগ বাড়ানো; এবং তৃতীয়ত, সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি আমদানি নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি ও ব্যাংক খাত অর্থনীতির ফুসফুসের মতো, আর সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনাই (পিএফএম) হৃদয়। এই ফুসফুস দুটি নষ্ট হলে অর্থনীতি টিকে থাকতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে, যার প্রভাবে উৎপাদন কমছে এবং inflation চাপ বাড়ছে। তিনি দাবি করেন, পরবর্তী বাজেটে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই অর্থনৈতিক সুরক্ষা অর্জন সম্ভব। এই বিতর্কে ময়মনসিংহের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে পরাজিত করে।
একটা decision সিদ্ধান্ত নিলেই কি আর পিছনে ফিরতে পারব না? চুক্তি করলে তো ফিরবে না, কিন্তু তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে ভাবা হচ্ছে না।
গরিবের টাকায় ধনীদের ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে — এই দাবিটা সবসময় শোনা যায়, কিন্তু কেউ কি হিসাব দিচ্ছে?
আইএমএফের চাপ, বাণিজ্য চুক্তি, জ্বালানি সংকট — এগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িত। এখানে pressure চাপ একদিক থেকে আসছে, আর সার্বভাবময়তা অন্যদিকে ক্ষয় হচ্ছে।
আমরা তো দেখি জ্বালানির দাম বাড়ছে, গাড়ির লাইন লাগছে — কিন্তু কেউ কি বলবে আসল plan পরিকল্পনা কী?
বাপেক্সকে 'ঠুঁটো জগন্নাথ' বলা হয়েছে — কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ দুর্বলতার জন্য কারা দায়ী? রাজনৈতিক নেতৃত্ব নাকি প্রশাসন?
বিনিয়োগ না হওয়ার কারণে খাতটা ধসে পড়ছে। এখন যদি সরকার সত্যিকারের support সমর্থন দেয়, তবে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।