ন্যাটোতে ইউরোপের নতুন পরিকল্পনা: মার্কিন ছায়া থেকে বেরিয়ে আসা

আমেরিকা যদি ন্যাটো ছেড়ে যায়, তবে তার পরিবর্তে ইউরোপকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে new planটি এগিয়ে আনা হচ্ছে। এই plan ইতিমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার বাইরে চলে এসেছে, এবং জার্মানির মতো দীর্ঘদিনের বিরোধীও এখন এতে support দিচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় নেতারা ন্যাটোর ভেতরেই নিজেদের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল শক্তিশালী করতে চান।

এই পদক্ষেপের পেছনে মূল pressure আসছে ট্রাম্প প্রশাসনের অস্থির আচরণ থেকে। ইউরোপীয় নেতারা ভয় পাচ্ছেন যে আমেরিকা যেকোনো সময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধে support বন্ধ করে দিতে পারে বা সেনা withdraw করে নিতে পারে। ট্রাম্প নিজে ইউরোপীয়দের ‘কাপুরুষ’ বলেছেন এবং ন্যাটোকে ‘কাগুজ বাঘ’ বলেছেন, যা ইউরোপের মধ্যে risk তৈরি করেছে।

প্রাকৃতিক পরিবর্তনের মূলে রয়েছে জার্মানির ঐতিহাসিক decision । দশকের পর দশক ধরে আমেরিকার ওপর নির্ভর করা জার্মানি এখন বুঝতে পারছে যে trust রাখা আর নিরাপদ নয়। চ্যান্সেলর ম্যার্ৎজ ট্রাম্পের কথায় বিশ্বাস হারিয়েছেন, বিশেষ করে যখন তিনি ইউক্রেন পরিত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এখন তাঁরা চান প্রতিরক্ষার মূল ভার responsibility ইউরোপের কাঁধে থাকুক।

কিন্তু চ্যালেঞ্জটা বিশাল। ন্যাটোর সমগ্র গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক, লজিস্টিকস এবং পারমাণবিক প্রতিরোধ মার্কিন নেতৃত্বের ওপর নির্ভরশীল। ইউরোপ এখন সেই সক্ষমতা গড়ে তুলতে চাইছে। ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মতো পারমাণবিক শক্তিগুলোর ভূমিকা বাড়ানোর pressure বাড়ছে। জার্মানি এবং যুক্তরাজ্য স্টেলথ মিসাইল ও হাইপারসনিক অস্ত্র তৈরির ঘোষণা দিয়েছে, যা military capability বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, এই পরিবর্তন আর আমেরিকার pressure নয়, ইউরোপের নিজস্ব উদ্যোগ। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট স্টাব বলেছেন, এটি একটি নিয়ন্ত্রিত transition হতে হবে। ইউরোপ আমেরিকাকে ত্যাগ করছে না, কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার জন্য responsibility নিতে শুরু করেছে। ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ছিল সেই ফাটল, যা পুরো ব্যবস্থার ভারসাম্য নাড়া দিয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো, ইউরোপ কি সত্যিই নিজেকে মার্কিন ছায়া ছাড়া দাঁড় করাতে পারবে? তাদের সামরিক সরঞ্জাম, গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং strategic planning এখনো পিছিয়ে। কিন্তু প্রথমবারের মতো একটি বড় রাষ্ট্র জার্মানি পথ দেখিয়েছে। এই shift শুধু প্রতিরক্ষা নয়, নতুন বহুমেরু বিশ্বে ইউরোপের independence আন্দোলনের শুরু।

প্রতিক্রিয়া 6

  • বাতাসের_কথা

    ট্রাম্পের কথায় একটা সত্যি আছে—ইউরোপ কম খরচ করছে। কিন্তু আমেরিকার pressure মানলে তো আর স্বাধীন হওয়া যায় না।

  • নীল_চোখ

    আমেরিকা আগে থেকেই প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল, কিন্তু কেউ শুনছিল না। এখন risk নিজেদের মাথায় এসে পড়েছে।

  • দেয়ালের_ছায়া

    জার্মানি যদি আমেরিকার পারমাণবিক ছায়া ছেড়ে ফ্রান্সের ওপর নির্ভর করে, তাহলে কি ফ্রান্সের প্রতিরোধ যথেষ্ট হবে?

  • সময়ের_চাবি

    বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা ফিরিয়ে আনলে নাগরিকদের trust বাড়বে, কিন্তু রাজনৈতিক cost কত হবে?

  • পথহারা

    আমরা কি আসলে একটা নতুন শীতল যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছি, যেখানে ইউরোপ আর আমেরিকা allies নয়, শুধু ব্যবসায়ী সহযোগী?

  • ভবিষ্যৎ_দ্রষ্টা

    ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড চায় না, সে ইউরোপের unity ভাঙতে চায়। কিন্তু তার হুমকিই এখন নতুন ঐক্য গড়ছে।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]