ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে ইরান: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর pressure বাড়াতে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইউরোপীয় দেশগুলোকে ইউরেনিয়াম মজুত এবং হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ management সম্পর্কে তাদের proposal তুলে ধরেছেন। তিনি ফ্রান্স, জার্মানি, সৌদি আরব, ওমান ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপও করেন। এর মূল লক্ষ্য, পাকিস্তান-নেতৃত্বাধীন আলোচনার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি বলে জানানো, যদিও intensive আলোচনার ২১ ঘণ্টা পর তা ফলপ্রসূ হয়নি।
গত বছরগুলোতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন। অন্যদিকে, ইরানও ইউরোপকে আমেরিকার আজ্ঞাবহ মনে করে তাদের গুরুত্বহীন ভাবত। কিন্তু আটলান্টিকের দুই পাশের growing distance এবং ইউরোপের অর্থনীতির ওপর economic pressure দেখে তেহরান তার নীতি পুনর্বিবেচনা করেছে। এখন তারা ইউরোপকে সম্ভাব্য leverage হিসেবে দেখছে, যা মার্কিন নীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ইউরোপীয় দেশগুলো ট্রাম্পের সামরিক সহায়তার দাবির প্রতি সংযত সাড়া দিয়েছে। তারা হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের freedom রক্ষায় একটি নৌ-জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। এটি শুধু সংঘাত শেষ হওয়ার পর কার্যকর হবে। এ বিষয়ে যুদ্ধের নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য এ নিয়ে একটি যৌথ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের লোহিত সাগরের ‘অপারেশন আস্পাইডেস’-এর অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগবে।
ইরানের পার্লামেন্টে একটি বিলে সব বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নতুন টোল আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পারমাণবিক বোমা অর্জনের চেয়েও বেশি strategic পদক্ষেপ হতে পারে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ১১% বাণিজ্য ও এক-তৃতীয়াংশ তেল পরিবাহিত হয়। ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে ফি আদায়ের কথা ভাবছে ইরান, যা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করবে। কিন্তু যুক্তরাজ্য মনে করে, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা মানেই free passage ।
বিশেষজ্ঞ নিত্য লাভ বলছেন, হরমুজ প্রণালির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য ইরানকে একটি কাঠামোবদ্ধ চুক্তির মধ্যে আনা জরুরি। এতে ইরান ও আঞ্চলিক অংশীদারদের মধ্যে যৌথ যাচাই ও নৌ-পাহারার ব্যবস্থা থাকতে পারে। এই চুক্তি কেবল পারমাণবিক বিধি নয়, বরং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বীকৃতির বিনিময়ও নির্দিষ্ট করবে। ইউরোপের ভেতরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরও স্পষ্ট stance নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা ইরানের কৌশলের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।
ট্রাম্পের চাপে ইউরোপ যদি দুর্বল হয়, তবে ইরানের leverage হাতিয়ার হিসেবে তাদের ব্যবহার একেবারেই যুক্তিসঙ্গত।
ইউরোপের জন্য economic pressure অর্থনৈতিক চাপ এখন বড় সমস্যা। তারা কতটা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে?
হরমুজ প্রণালির টোল আদায় করা হবে ক্রিপ্টোতে? এটা কি সত্যিই feasible বাস্তবসম্মত?
আগে ইউরোপ মার্কিন পক্ষে ছিল, এখন পরিস্থিতি shift পালটাচ্ছে। তেহরানের কূটনীতি চালানোর সুযোগ এসেছে।
নিরাপত্তা আর বাণিজ্যের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি এতটা critical গুরুত্বপূর্ণ যে কোনো ঝুঁকি নেওয়া খুবই বিপজ্জনক।
যুক্তরাজ্য যদি free passage মাশুলমুক্ত চলাচল চায়, তবে ইরানের টোল কীভাবে মানবে?