ন্যাটো ভাঙলে যুক্তরাষ্ট্র টিকবে কি?
ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় এলে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো কি ভেঙে যাবে? এই প্রশ্নটি এখন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ, কূটনীতিবিদ এবং ইউরোপীয় নাগরিকদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের opposition এবং ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক অভিযানে ইউরোপের না জড়িত হওয়ায় ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ crisis চরমে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলসের মধ্যে বিশ্বাসের ফাটল এখন গোপন কিছু নয়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু কূটনৈতিক টানাপোড়েন নয়, বরং ন্যাটোর survival প্রকৃত লড়াই।
ট্রাম্প এই অবস্থান নেওয়ায় জার্মানির চ্যান্সেলর warning দিয়েছেন যে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কে চরম pressure পড়েছে। যদিও মার্কিন সিনেটের মাধ্যমে আনুমদন ছাড়া ট্রাম্প একতরফা ভাবে ন্যাটো ছাড়তে পারবেন না, কিন্তু তিনি জোটের কার্যকারিতা দুর্বল করতে পারেন মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়া বা সামরিক সমন্বয় বন্ধ করে। এমন পদক্ষেপ ন্যাটোর credibility ধ্বংস করে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
একাকী ইউরোপের পক্ষে ন্যাটোর দায়িত্ব নেওয়া কঠিন। যদিও ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় increased পেয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে—যেমন গোয়েন্দা নজরদারি, উপগ্রহ যোগাযোগ এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা—তারা এখনও reliant পেন্টাগনের ওপর। আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ফাঁক পূরণ করতে ইউরোপকে invest করতে হবে কমপক্ষে এক ট্রিলিয়ন ডলার এবং সময় লাগবে দশ বছরের বেশি। এই delay তাদের এক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেলেছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক threat সময়ের ব্যাপার। জার্মানির সামরিক প্রধান জেনারেল কারস্টেন ব্রুয়ের আশঙ্কা করেছেন, ২০২৯ সালের মধ্যে মস্কো capable হতে পারে ন্যাটো ভূখণ্ডে আক্রমণ করতে। অনেকে মনে করেন সময়সীমা আরও কাছে—২০২৭ সাল। এমন প্রেক্ষাপটে প্রতিটি সদস্যকে urgently ভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এই চ্যালেঞ্জ কতটা মোকাবেলা করা সম্ভব, তা নিয়ে doubt রয়েছে।
তবে ন্যাটো ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতিও অনেক। ৯/১১-এর পর প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছিল ন্যাটো, এবং আফগানিস্তানে হাজারো ইউরোপীয় সেনা প্রাণ দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিশনের জন্য ইউরোপের ঘাঁটি ছিল strategic গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং ন্যাটো ভেঙে গেলে ইউরোপের অসুবিধা হবে যেমন, তেমনি আমেরিকা হারাবে মহাদেশজুড়ে তার influence এবং গুরুত্বপূর্ণ allies ।
একটা জোট ভাঙলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় নিরাপত্তার বিশ্বাসে। trust আস্থা একবার নষ্ট হলে ফিরিয়ে আনা কঠিন।
ট্রাম্প বলেন ন্যাটো শুধু ইউরোপের জন্য, কিন্তু আফগানিস্তানে মার্কিনদের পাশে দাঁড়ানো ভুলে যান। hypocrisy দ্বৈত আচরণ এখানে স্পষ্ট।
এক ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ? ইউরোপ কি সত্যিই তা করতে পারবে? cost খরচ এখানে সবচেয়ে বড় বাধা।
২০২৭-এর আগেই রাশিয়া আক্রমণ করতে পারে? মনে হচ্ছে সময় খুব কম। risk ঝুঁকি বাড়ছে প্রতিদিন।
আমেরিকা চলে গেলে ইউরোপ নিজেদের দায়িত্ব নেবে, কিন্তু কত দ্রুত? transition সংক্রমণ কি সম্ভব এত তাড়াতাড়ি?
ন্যাটো না থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অভিযান কীভাবে হবে? ইউরোপীয় ঘাঁটি ছাড়া operation অপারেশন কি সম্ভব?