নোবেলজয়ীর জীবনে খেলা, কারাগার থেকে হাসপাতালে নার্গিস মোহাম্মদি
ইরানের এক কারাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী prisoner নার্গিস মোহাম্মদিকে। তার দুর্বল health অবস্থার কথা শুনে গোটা বিশ্ব এখন উদ্বিগ্ন। শুক্রবার তাকে জরুরি ভাবে hospital ভর্তি করা হয়, কারণ কারাগারে থাকাকালীন তিনি দুবার জ্ঞান হারান এবং রক্তচাপ মারাত্মকভাবে ওঠানামা করছিল। চিকিৎসকদের মতে, তিনি গত মার্চে একটি heart attack (হার্ট অ্যাটাক) এর মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু তখন থেকেই প্রয়োজনীয় treatment পাচ্ছিলেন না।
তার ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, কারাগারের চিকিৎসকরা তার অবস্থা সামাল দিতে failed হওয়ায় হাসপাতালে স্থানান্তর একমাত্র পথ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তিনি বর্তমানে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট বা icu -তে আছেন, যেখানে তীব্র হৃদযন্ত্রের সঙ্কট নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু এতদিন কেন তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে denied রাখা হলো? ১২ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পর থেকেই ১৪০ দিন ধরে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলে ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
মোহাম্মদির পরিবার আর আইনজীবীরা আগে থেকেই তাকে তেহরানের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানোর demand জানিয়েছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বারবার এই request নাকচ করেছে। নরওয়েতে থাকা তার ভাই হামিদরেজা মোহাম্মদি বলেছেন, তার পরিবার fighting করছে নার্গিসের জীবন বাঁচাতে, কিন্তু স্থানীয় প্রসিকিউটররা প্রতিটি পদক্ষেপে বাধা সৃষ্টি করছে।
৫৩ বছর বয়সী এই মানবাধিকার activist ২০২৩ সালে কারাগারে থাকা অবস্থাতেই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন। ইরানের কঠোর হিজাব আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তার সোচ্চার মন্তব্যের কারণে তাকে বারবার কারাবন্দী হতে হয়েছে। এখন তিনি serving করছেন রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণার অভিযোগে দীর্ঘমেয়াদী সাজা। চিকিৎসায় এই বিলম্ব যে শেষ পর্যন্ত অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে, তাই আশঙ্কা করছেন তার পরিবার।
একজন নোবেলজয়ীকে অবহেলা করা হচ্ছে? এটা তো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
কারাগারে থাকা অবস্থায় নোবেল পেয়েছেন, কিন্তু চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে এত বাধা? বিশ্ব কি নীরব থাকবে?
হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পরও চিকিৎসা না দেওয়াটা cruel নির্মম ছাড়া কিছু না।
এতদিন কেন কেউ হস্তক্ষেপ করল না? এখন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মানে হয়তো critical অবস্থা আরও খারাপ।
প্রসিকিউটরদের বাধা মানে সরাসরি নির্দেশ কার? এটা কি রাষ্ট্রপক্ষের নীরব সম্মতি?
মানবাধিকারের নামে লড়াই করলে এই শাস্তি? তাহলে আর কেউ মুখ খুলবে কেন?
কারাগারের চিকিৎসকরা ব্যর্থ হওয়ায় হাসপাতালে পাঠানো— কিন্তু প্রথম থেকেই কেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা দেওয়া হল না?
নার্গিস মোহাম্মদি শুধু ইরানের নন, তিনি গোটা মানবজাতির গৌরব। তাকে বাঁচাতে global আন্তর্জাতিক চাপ দরকার।