স্বাস্থ্যের সংকটে মজুমদার, কিন্তু আইনের চোখে তার অপেক্ষা?
যেন একটি স্বাস্থ্যহীন দেহের ভেতর দিয়ে ঐতিহাসিক বিচারের মহড়া চলছে। health নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেও কামাল আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ তার চিকিৎসার হালহকিকত ও মামলার অগ্রগতি জানতে চেয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে যুক্ত করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ কি ন্যায়বিচারের গতি বদলে দেবে? ন্যায়বিচার আর crisis এখন একই কক্ষে।
ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল পিজি হাসপাতাল থেকে মজুমদারের medical -সংক্রান্ত প্রতিবেদন চেয়েছে। তার আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান জানান, বিভিন্ন রোগয় আক্রান্ত তিনি, ওজন কমে গেছে, অবস্থা নাজুক। তিনি বলেন, ক্লায়েন্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মত দিয়েছিলেন—এর ফলে তার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রবেশাধিকার ছিল না। এমন রাজনৈতিক পটভূমি কি বিচারে প্রভাব ফেলবে? political মতপার্থক্য নাকি অপরাধের সাজার বিষয়?
মজুমদার কারাবন্দি হয়েছেন দেড় বছর ধরে, কিন্তু আইনজীবী দাবি করেন, এ সময়ে প্রসিকিউশন কোনো শক্তিশালী evidence তুলতে পারেনি। তার জামিন আবেদনের শুনানিতে তিনি বলেন, 'মানবিক দিক বিবেচনায়' তাকে জামিন দেওয়া হোক। আদালত স্বীকার করে, জামিন দেওয়া হলেও তাকে হাসপাতালে থাকতে হবে। কিন্তু মিজানুর রহমান জবাব দেন, 'সেটা ভিন্ন জিনিস। আমরা এখনই জামিন চাই।' এখানে বিচার কি মানবিকতার চেয়ে শক্তিশালী? মানবিকতা নাকি আইনের উপরে?
ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী শুনানির জন্য ২৬ জুলাই ধার্য করেছে। সেদিন উভয় পক্ষের report —স্বাস্থ্য ও তদন্তের অগ্রগতি—জমা দিতে হবে। একজন বৃদ্ধ রাজনীতিবিদের জীবন আর একটি জাতীয় বিচারের সময়সীমা কি একই সূত্রে গাঁথা? trial এখন শুধু ঘটনার প্রতি নয়, একটি মানুষের জীবনেরও প্রতি সংবেদনশীল। life আর আইন এখানে মুখোমুখি। সময় কি কাউকে বাঁচাবে, নাকি আইন সবার আগে হাজির হবে?
যদি সত্যিই তার স্বাস্থ্য এতটাই খারাপ, তাহলে আইন কেন একটু mercy করুণা দেখাবে না?
অপরাধ যদি থাকে, তাহলে বিচার হওয়া জরুরি, স্বাস্থ্য নিয়ে আবেগ নয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হোক, কিন্তু একটি মানুষকে মরতে দেওয়া কি আমাদের সভ্যতা?
আইনজীবী স্পষ্ট বলেছেন, প্রসিকিউশন কোনো charge অভিযোগ দেখাতে পারেনি—তাহলে কেন জামিন নেই?
যাই হোক, আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে—জামিন মানে মুক্তি নয়, হাসপাতালে আটকই থাকবে।
২৬ জুলাই না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। প্রতিবেদন আসুক আগে। patience ধৈর্য ধরুন।