বৈশাখী মেলাসহ নানা আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ করবে এনসিপি
আগামীকাল মঙ্গলবার, পয়লা বৈশাখে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) new year উদযাপনের জন্য বৈশাখী মেলা সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘নাগরিক বর্ষবরণ ১৪৩৩’। এর মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, গান, নাচ, বায়োস্কোপ এবং ঐতিহ্যবাহী cultural program । এই ঘটনা শুধু সংস্কৃতির প্রকাশই নয়, বরং একটি রাজনৈতিক দলের জনসাধারণের কাছে উপস্থিতি জানানোর এক কৌশলগত public event হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এনসিপির সংস্কৃতি সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। আজ সোমবার রাতে ঢাকার বাংলামোটর এলাকার নেভি গলিতে আলপনা আঁকা হচ্ছে। এই কাজ পরিদর্শন করবেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আলপনা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক প্রতীক, যা ঐতিহ্যের প্রতি public trust বাড়াতে সাহায্য করে।
এনসিপির সংস্কৃতি সেলের সম্পাদক লুৎফর রহমান জানান, মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে দুপুরের পর। বিকেল তিনটায় একটি রঙিন শোভাযাত্রা বাংলামোটর থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ প্রদক্ষিণ করে আবার বাংলামোটরে ফিরে আসবে। এই শোভাযাত্রা শুধু সাংস্কৃতিক নয়, এটি একটি public presence হিসেবেও কাজ করবে। একই সময়ে নেভি গলিতে বসবে বৈশাখী মেলা।
মেলায় থাকবে গান-নাচ, বায়োস্কোপ এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন মুড়ি-মুড়কি ও জিলাপি। মাটির তৈরি তৈজসপত্র এবং বাহারি খাবারের দোকানও বসবে, যা স্থানীয় local market এর চাহিদা মেটাবে। অনুষ্ঠানগুলো সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শেষ করা হবে, যা জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার public concern মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ।
দলটি জনসাধারণের সবাইকে এ আয়োজনে participation করার আহ্বান জানিয়েছে। এমন আয়োজন রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও সাংস্কৃতিক সংহতির এক মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। এতে দলের প্রতি জনসাধারণের support বাড়ানোর পাশাপাশি বাঙালি ঐতিহ্যের প্রতি আস্থা প্রদর্শন করা হয়।
আলপনা থেকে শুরু করে মেলা — এগুলো শুধু সংস্কৃতি নয়, public engagement জনসংযোগ এরও এক মাধ্যম।
এনসিপি যে এভাবে বৈশাখী মেলা করছে, তাতে মনে হচ্ছে তারা cultural identity সাংস্কৃতিক পরিচয় কে রাজনীতির প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরছে।
শোভাযাত্রা আর মেলা দেখতে ভালো লাগে, কিন্তু এগুলো কি সত্যিই সাধারণ মানুষের economic pressure অর্থনৈতিক চাপ কমাবে?
সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শেষ — এটা নিরাপত্তা আর public order জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভালো সিদ্ধান্ত।
এনসিপি যদি প্রতি বছর এমন আয়োজন করে, তাহলে ধীরে ধীরে public trust জনআস্থা বাড়বে।
বাংলামোটরে মেলা হচ্ছে, কিন্তু পার্ক স্ট্রিট বা মোহাম্মদপুরে কেন হবে না? accessibility পৌঁছানোর সুবিধা তো সবার জন্য দরকার।