বিশ্বের শীর্ষ ১০ গ্যাস উৎপাদক দেশ এবং তাদের উৎপাদন চিত্র
বিশ্বের গ্যাস উৎপাদনের মানচিত্র এখন দ্রুত বদলাচ্ছে, এবং এই পরিবর্তনের সঙ্গে বদলাচ্ছে global market এবং energy security -এর দিগন্ত। যুক্তরাষ্ট্র এখনও অবিসংবাদিত শীর্ষ উৎপাদক, কিন্তু অন্যান্য দেশগুলো তাদের ভূমিকা পুনঃনির্ধারণ করছে ভূ-অর্থনীতির চাপে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) চাহিদার বৃদ্ধি এই খাতের নতুন গতি দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র তার production capacity বজায় রেখেছে শেল গ্যাস বিপ্লব এবং private investment -এর ওপর ভিত্তি করে। তাদের ৩৭,৭৫১ বিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন শুধু নিজেদের চাহিদা মেটায় না, export market হিসেবে ইউরোপ ও এশিয়ার ওপরও তাদের প্রভাব বাড়িয়েছে। রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর পর পশ্চিমা দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি-এর ওপর বেশি ভরসা করছে, ফলে তাদের strategic importance বেড়েছে।
রাশিয়া এখন হ্রাসপ্রাপ্ত উপস্থিতি নিয়ে এশিয়ার দিকে ঝুঁকছে, বিশেষ করে চীনের দিকে। তবে infrastructure limitation এবং বাজার প্রবেশের বাধা তাদের প্রভাব কমিয়ে দিয়েছে। তাদের ২২,৬৭২ বিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন এখন আগের মতো ইউরোপকে সরবরাহ করছে না। অন্যদিকে, চীন নিজেও বড় উৎপাদক হলেও অপর্যাপ্ত উৎপাদনের কারণে বড় আমদানিকারক হিসেবে রয়ে গেছে, যা জ্বালানি কূটনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
কাতার এলএনজি বাজারে dominant player হিসেবে আছে, বিশেষ করে জাপান, কোরিয়া ও ইউরোপের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি আছে। তাদের নর্থ ফিল্ড এক্সপ্যানশন প্রকল্প উৎপাদন আরও বাড়াবে। অস্ট্রেলিয়াও এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি সরবরাহকারী, যদিও অভ্যন্তরীণ নীতি এবং investment expansion এখন তাদের কৌশল নির্ধারণ করছে।
নরওয়ে ইউরোপের জন্য reliable supplier হিসেবে উঠে এসেছে। রাশিয়ার সরবরাহ কমার পর জার্মানি ও যুক্তরাজ্য নরওয়ের ওপর ভরসা করছে। পাইপলাইন সরবরাহ এবং environmentally friendly প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা ভবিষ্যতের জ্বালানি রূপান্তরেও ভূমিকা রাখতে চায়। ইরান বিশাল মজুত সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে তার সম্পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন প্রায় রাশিয়ার দ্বিগুণ—market dominance বাজারে আধিপত্য কিন্তু এখন আর শুধু পরিমাণে নয়, সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতায়।
নরওয়ে যে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, সেটা ভবিষ্যতে sustainable energy ধরাপোড়া জ্বালানি হিসেবে তাদের আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে।
ইরানের অবস্থা বেদনাদায়ক—বিশাল মজুত আছে, কিন্তু international sanctions আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আর বিনিয়োগ ঘাটতি তাদের আটকে রেখেছে।
এলএনজি চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো সহজ নয়। কাতারের expansion project সম্প্রসারণ প্রকল্প আসলে একটা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ।
চীন উৎপাদন বাড়াচ্ছে, কিন্তু চাহিদাও তো পাহাড়ের মতো। energy import জ্বালানি আমদানি ছাড়া তাদের চলবে কী করে?
অস্ট্রেলিয়া এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তাদের অভ্যন্তরীণ নীতি কতটা stable policy স্থিতিশীল নীতি বজায় রাখবে সেটাই এখন প্রশ্ন।