গ্যাস উৎপাদনে শীর্ষ ১০ দেশ, কারা কতটা উৎপাদন করছে

প্রাকৃতিক গ্যাসে বিশ্বের শীর্ষ producer হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। ২০২৪ সালে বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় এক-চতুর্থাংশই এসেছে এই দেশ থেকে। ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন যুক্তরাষ্ট্রের উপর ক্রমবর্ধমান dependence ঘটছে, বিশেষ করে রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। বৈশ্বিক গ্যাস বাজারে কয়েকটি দেশ এখন মূল খেলোয়াড় হিসাবে উঠে এসেছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে।

ইউরোপ আগে রাশিয়ার উপর নির্ভর করত, কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার পর তারা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে নজর দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ২০২৪ সালে produced করেছে ৩৭,৭৫১ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস—যা রাশিয়ার চেয়ে ১.৬ গুণ বেশি এবং ইরান ও চীনের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি। এই বিপুল উৎপাদনের পেছনে রয়েছে শেল গ্যাস বিপ্লব, বেসরকারি investment , এবং অত্যাধুনিক পাইপলাইন অবকাঠামো।

শীর্ষ দশের মধ্যে অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব অনেক বেশি। শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পার্থক্যই শীর্ষ ১০-এর অনেক country মোট উৎপাদন ছাড়িয়ে গেছে। রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানে আছে (২২,৬৭২ বিলিয়ন ঘনফুট), কিন্তু ইউরোপে তাদের উপস্থিতি কমছে। তাই এখন তারা চীন ও এশিয়ার বাজারের দিকে strategic shift করছে।

ইরান ও চীন তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকলেও তাদের রপ্তানি ক্ষমতা সীমিত। ইরানের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং চীনের বৃহৎ অভ্যন্তরীণ চাহিদা তাদের বৈশ্বিক ভূমিকা কমিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, কাতার, অস্ট্রেলিয়া ও নরওয়ে এলএনজি রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান করেছে। কাতার ‘নর্থ ফিল্ড এক্সপ্যানশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে expanding করছে উৎপাদন, আর নরওয়ে ইউরোপের নির্ভরযোগ্য পাইপলাইন সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো—সৌদি আরব, আলজেরিয়া, কাতার—গ্যাস খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, বিশেষ করে সৌদি আরব ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায়। এটি তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে diversify করার একটি কৌশল। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদক, যার উৎপাদনের বড় অংশ প্রতিবেশী দেশে রপ্তানি হয়।

প্রতিক্রিয়া 6

  • গ্যাসভাবী

    যুক্তরাষ্ট্র এত এগিয়ে থাকার পেছনে শেল গ্যাসের technology সত্যিই মূল কারণ। অন্য দেশগুলো এখনো এই স্তরে পৌঁছাতে পারেনি।

  • জ্বালানিবিশ

    রাশিয়ার পতন আর যুক্তরাষ্ট্রের উত্থান দেখে ইউরোপের জন্য একটা relief —কিন্তু কী দামে? এলএনজি তো পাইপলাইনের চেয়ে অনেক বেশি খরচসাপেক্ষ।

  • আন্তর্জাতিকী

    ইরানের কথা ভাবলে লাগে, এত মজুত থাকা সত্ত্বেও নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা সম্পূর্ণ potential কাজে লাগাতে পারছে না। রাজনীতি কতটা জ্বালানি বাজারকে প্রভাবিত করে!

  • অর্থনীতিক

    কাতার ও অস্ট্রেলিয়া এলএনজি মার্কেটে যে দালান গড়ছে, তা ভবিষ্যতে অনেক দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। আর সৌদি আরব গ্যাসে বিনিয়োগ করছে তেলের চাহিদা কমার risk কমানোর জন্য।

  • প্রকৃতিভক্ত

    নরওয়ে যে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে গ্যাস উৎপাদন করছে, তা অনুসরণ করা উচিত। শুধু উৎপাদন নয়, sustainability এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ।

  • বিশ্লেষক২৪

    প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্র এত বেশি উৎপাদন করতে পারছে কিন্তু তার নিজের বাজারে মূল্য কম থাকার কারণ কী? কীভাবে তারা রপ্তানিতে profit করছে?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]