হামের ছায়ায় আরও চার শিশু: ২৩৫ প্রাণহানির পিছনে কী?
symptoms দেখা দেওয়ার পর আরও চার শিশুর প্রাণহানি হয়েছে, সবাই ঢাকার হাসপাতালে treatment নিচ্ছিল। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গে ২৩৫ শিশুর মৃত্যু হল। কোনো শিশু শুধু হামে নয়, তার developed হওয়াতে মারা গেছে—এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই সংখ্যা শুনলে মনে হয়, আমরা এখনো একটি সামান্য রোগের কথা ভাবছি, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
হাম শনাক্ত হওয়া মাত্র ৪৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা শুনে চমকে উঠতে হয়। কিন্তু আরও ভয়াবহ হলো এর উপসর্গ—যেমন নিউমোনিয়া, এনসেফ্যালাইটিস—যা শিশুদের জীবনের জন্য হুমকি তৈরি করে। এসব শিশু হাসপাতালে admitted হয়েছিল, কিন্তু সবার জন্য ফিরে আসা হল না। তবে সুস্থ হয়ে discharged ২৩ হাজার ২২৫ শিশু—একটি আশার আলো যে সময়মতো care মৃত্যু রোধ করতে পারে।
গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে ৩৯ হাজার ৩২৫ শিশুর শরীরে হামের signs দেখা দিয়েছে। এদের মধ্যে ২৬ হাজার ৯১১ শিশু hospitalized হয়েছে। এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়—এর পিছনে আছে হাজার হাজার ঘর, যেখানে রাতের ঘুম উড়েছে, মায়েদের চোখে অশ্রু, বাবাদের কপালে ভাঁজ। হাম মাত্র identified হয়েছে ৫ হাজার ২১৮ শিশুর শরীরে, কিন্তু অনেকেই লক্ষণ দেখা সত্ত্বেও পরীক্ষা করায় না।
ডিএনসিসি হাসপাতালসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে এখনো অনেক শিশু receiving নিচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আসা প্রতিবেদন আমাদের সতর্ক করছে: হাম শেষ হয়নি, এটি এখনো ছড়াচ্ছে। টিকা নেওয়া হয়নি এমন শিশুদের ঝুঁকি তীব্র। সময় কম, action নেওয়া জরুরি। একটি সহজ vaccine লক্ষাধিক মৃত্যু রোধ করতে পারে, কিন্তু ভুলে যাওয়া হচ্ছে এটিকে।
এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু হাসপাতালের দায়িত্ব নয়, প্রতিটি পরিবারের দায়িত্ব। শিশুদের protected করা যাবে তখনই, যখন আমরা সচেতনতা বাড়াব। হাম মানে শুধু গায়ে দাগ নয়, এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। সময়মতো হস্তক্ষেপ আর টিকার coverage বাড়ালে আমরা এই মারণ রোগকে পেছনে ফেলতে পারি।
vaccinate টিকা দেওয়া নিয়ে অনেকের ভয় থাকে, কিন্তু এটাই তো সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা।
উপসর্গ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি। দেরি করলে পরিস্থিতি খারাপ হয়।
আমাদের এলাকায় টিকা ক্যাম্পেইন কম, খুব কম মা-বাবা জানেন কীভাবে সুরক্ষিত করবেন।
২৩৫ শিশু মারা গেছে? এটা কি শুধু ঢাকার তথ্য? নাকি গোটা দেশে? confirmed নিশ্চিত হওয়া দরকার।
অনেকে ভাবে হাম নিজে থেকে সারবে, কিন্তু উপসর্গ হলে তখন আর সময় থাকে না।
আমার ছোট্ট রিয়া এখনো টিকা নেয়নি, কালই নিয়ে যাব। খুব scared ভয় পাচ্ছি।
টিকার আচ্ছাদন বাড়াতে হবে, কিন্তু তার আগে আমাদের বিশ্বাসের ঘাটতি কমাতে হবে।
রাষ্ট্রীয় তথ্য দেখে মনে হয়, আমরা প্রতিকারের চেয়ে পরিসংখ্যান রিপোর্টিংয়ে বেশি মনোযোগ দিই।