রেমিট্যান্সের পথ কে খুলেছিলেন?

foreign মুদ্রার এক অদৃশ্য নদী বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রাণ দিচ্ছে, আর তার উৎস খুঁজে পাওয়া যায় ১৯৭৬ সালে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট ziaur রহমান সেই প্রথম ভূমিকা পালন করেন, যখন তিনি ministry হিসেবে জনশক্তি নিয়ে এসেন। তাঁর সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি worker পাঠানোর পথ খুলে যায়—এক দূরদর্শী পদক্ষেপ যা আজও আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ তখন শুধু টাকা আনেনি, আনিয়েছিল আশা।

জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রম নীতি ছিল না কেবল একটি কাঠামো, তা ছিল এক সামাজিক বুদ্ধিমত্তার প্রতীক। রাষ্ট্রপতি বলেন, এটি শ্রমকল্যাণের ভিত্তিকে মজবুত করেছিল। কিন্তু পথ চলা শেষ হয়নি সেখানেই। বেগম খালেদা জিয়া sustain সমুন্নত রাখেন, শ্রমিকদের জন্য rights আরও দৃঢ় করেন। foundation প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে শ্রম আইন ২০০৬—এগুলো ছিল না বড় ঘোষণা, ছিল ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা এক টেকসই সমাজের ভিত।

শ্রমিকদের প্রশংসায় রাষ্ট্রপতির গলায় ছিল কৃতজ্ঞতার সুর। development প্রকৃত কারিগর তাঁরা—একথা বলে তিনি শিল্প, কৃষি, নির্মাণ ও transport খাতে শ্রমিকদের অবদান তুলে ধরেন। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এবং পোশাক শিল্পের আয় আজ অর্থনীতির মূল স্তম্ভ। এই মুদ্রা শুধু ব্যাংকে জমা হয় না, ঘরে ঘরে খাবার টেবিল গড়ে তোলে। তাঁদের ঘামই আজকের বাংলাদেশের growth ইন্ধন।

বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বন্ধ সরকারি চিনি, রেশম ও পাটকল পুনরায় চালু হয়েছে। এটি শুধু কলকারখানা নয়, এটি employment ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত। আগামী ছয় মাসে আরও ছয়টি পাটকল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি জোর দেন cooperation আর পারস্পরিক আস্থার ওপর—মালিক আর শ্রমিকের মধ্যে সম্পর্ক যেন সংঘাত নয়, সম্প্রীতি হয়। টেকসই industry গড়ার চাবিকাঠি এটাই।

নীতি থেকে নিয়ম, গত যুগ থেকে বর্তমান—শ্রমিকদের সম্মান ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকার নিজের বলে দাবি করেছে। রাষ্ট্রপতি স্পষ্ট করেন, এটি কোনো রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, বরং commitment । শ্রমজীবী মানুষের পরিশ্রমই এই দেশের সবচেয়ে বড় মূলধন। তাঁদের কষ্ট যেন কখনো অবহেলিত না হয়, সে দায়বদ্ধতা রাষ্ট্রের হাতে থাকা দরকার। এটাই হোক প্রতিটি নীতির মূল সূত্র।

প্রতিক্রিয়া 8

  • কমলাপুর_১৯৭১

    জিয়াউর রহমান যে initiative নিয়েছিলেন, তা পরবর্তীতে দেশের অর্থনীতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে, তা তখন কেউ ভাবেনি।

  • নীল_নদ

    বেগম খালেদা জিয়া শ্রমিক কল্যাণে কাজ করেছেন এটা সত্য, কিন্তু সেই নীতির বাস্তবায়ন কতটা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

  • প্রজাপতি_আকাশ

    পাটকল ফিরিয়ে আনা ভালো কথা, কিন্তু শ্রমিকদের wage ও কর্মসংস্থানের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা আরও জরুরি।

  • সাগর_রায়

    প্রবাসীদের জন্য রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্য অন্তত একটু স্বীকৃতি দেয়। তাঁরা তো প্রতিদিন sacrifice করেন।

  • মাঠের_কথা

    শ্রম আইন ২০০৬ ভালো পদক্ষেপ হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই এটি খাটে না। তদারকি কোথায়?

  • সুমন_বিশ্বাস

    একটা সময় পাটকল ছিল ঘরে ঘরে। আবার সেই গল্প হবে? আশা করি হবে।

  • রাতের_আলো

    সব রাজনীতি ভুলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হোক। তাঁরা না হলে economy টিকবে না।

  • বাতাস_মাঝি

    রেমিট্যান্স দেশের জন্য ভালো, কিন্তু প্রবাসী শ্রমিকদের কষ্ট কমানোর কোনো উদ্যোগ কি আছে?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]