সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়নপ্রক্রিয়া ভিন্ন: হামিদুর রহমান আযাদ
সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর nomination process অন্য দলগুলোর চেয়ে আলাদা, এমন দাবি করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। সোমবার রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত এক press conference তিনি এ কথা বলেন। এই প্রক্রিয়ায় কেউ আবেদন করে মনোনয়ন চায় না, বরং দল নিজেই decision নেয়। তবে তৃণমূল পর্যায়ের পরামর্শ নেওয়া হয়, বিশেষ করে মহিলা বিভাগের সুপারিশ গুরুত্ব পায়।
হামিদুর রহমান আযাদ ব্যাখ্যা করেন যে, এবার মনোনয়নে একটি ব্যতিক্রম তৈরি করা হয়েছে—জুলাই পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে একজনকে representation করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যাঁদের রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে আজকের সরকার ও সংসদ গড়ে উঠেছে, তাঁদের sacrifice স্মরণ করেই এই সিদ্ধান্ত। শহীদ পরিবারকে honor জানানো হয়েছে এই মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন বণ্টনে alliance প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের আগে করা সমঝোতা অনুযায়ী আসনগুলো বণ্টন করা হয়েছে। এতে করে অতীতের মতো distrust বা বিভাজন এড়ানো যাবে। অনেক দল অতীতে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা করতে পারেনি, commitment ভাঙা হয়েছে। কিন্তু ১১ দলীয় জোট সেটা রক্ষা করেছে।
মনোনয়নের ভিত্তিতে, তিনি বলেন, integrity , যোগ্যতা এবং নৈতিক মান সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়াও রাজনৈতিক experience এবং নারী সমাজের বৈচিত্র্যময় representation বিবেচনা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদসহ আরও অনেক leader উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি জোটের ঐক্যের প্রতি public trust বাড়ানোর চেষ্টাকেই নির্দেশ করে।
এটা ভালো যে তারা commitment অঙ্গীকার রাখছে, কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো—এই মনোনয়ন কতটা স্বচ্ছ? আবেদন না নিয়ে দল থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া কি সত্যিই fair ন্যায্য?
জুলাই পরিবারকে সম্মান দেওয়াটা মানবিক সিদ্ধান্ত, সেটা নিয়ে আপত্তি নেই। কিন্তু এটা কি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের অংশ? symbolic প্রতীকী সিদ্ধান্তের চেয়ে long-term impact দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
অন্য দলগুলো আবেদন নেয়, কিন্তু জামায়াত নেয় না—এটা আসলে একটা centralized কেন্দ্রীকৃত ক্ষমতার নমুনা। গণতন্ত্রের সঙ্গে মানায় কি এটা?
নারী আসনে মহিলা বিভাগের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে এটা ভালো খবর। অন্তত এটা দেখায় যে, নারীদের কথা কেউ consider বিবেচনা করছে।
১১ দল কতদিন একসাথে থাকবে? একটা alliance জোট ভাঙলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় সাধারণ citizen নাগরিকের।
জামায়াতের মহিলা সদস্যদের কতটা প্রকৃত influence প্রভাব আছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে? শুধু পরামর্শ নেওয়া যথেষ্ট নয়।
মনোনয়নে যোগ্যতা এবং integrity সততা বলছেন—কিন্তু তা কি সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হবে? অতীতের রেকর্ড দেখে আমার doubt সন্দেহ থাকে।