টকশোতে আবিদ-সাদিকের মুখোমুখি: ছাত্র রাজনীতির নামে বিষের স্রোত?
একটি টেলিভিশন talk show ছাত্রনেতাদের মধ্যে মতবিরোধ শুধু বাকবিতণ্ডা ছিল না, ছিল এক প্রতীকী clash ছবি — যেখানে দুই প্রান্তে দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতা। একদিকে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান, অন্যদিকে ডাকসুর ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম। তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্ক সেদিন শুধু মাইক্রোফোনে নয়, তাদের প্রতিটি শব্দেই ছিল এক অদৃশ্য tension যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিবেশের গভীরে প্রবেশ করেছে। উপস্থাপককে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয়, কিন্তু তাদের উভয়ের স্বরেই ছিল এক অবাধ্যতার স্বাদ।
আবিদ তাঁর বক্তব্যে বারবার platform নামের কথা উঠিয়েছেন — সেটি হলো প্রথমে 'ঢাবি কণ্ঠস্বর', পরে 'ডেইলি ডাকসু'। তিনি অভিযোগ করেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে fake ফটোকার্ড ও মিথ্যা information ছড়িয়ে ক্যাম্পাসে বিষাক্ত environment তৈরি করা হয়েছে। কেবল ছাত্রনেতাদের নামে মিথ্যা বক্তব্য আরোপ করাই নয়, তার পেছনে কারা রয়েছে, তা খুঁজে বের করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। একটি সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, যিনি ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের student এবং যার সঙ্গে সাদিক কায়েমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
সাদিক কায়েম আবিদের দাবির জবাবে violence অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের তথাকথিত প্রকাশ্য politics মানে হলো রামদা-চাপাতি নিয়ে আক্রমণ, যা কুয়েট থেকে শুরু করে ঢাকা পলিটেকনিক পর্যন্ত ঘটেছে। তাঁর ভাষায়, outsiders নিয়ে ক্যাম্পাসে দখলদারি হচ্ছে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন যে কিছু হলে এমন অছাত্র থাকে যাদের সেশন ২০০৫-০৬-এর। shameful বলে উল্লেখ করেন এ অবস্থা। তাঁর মতে, ছাত্র রাজনীতি হওয়া উচিত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের হাতে, নয় কারও নিয়ন্ত্রিত ছায়া প্রশাসনের।
জবাবে আবিদ ফিরে আসেন ৫ আগস্টের ঘটনায়। তিনি দাবি করেন, সেদিন থেকেই শিবির কর্মীরা হলে gathered হয়ে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছে। তাদের কাজ ছিল নিরপেক্ষ ছাত্রদের হলে ঢুকতে block দেওয়া। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে বলেছেন, জসিমউদ্দিন হলে সিফাত ইবনে আমিনকে prevent দেওয়া হয়েছিল। আবুজর গিফারী হলে মাহফুজকে থাপ্পড় মেরে বের করা হয়েছিল। এসব ঘটনা তাঁর ভাষায় আধিপত্যমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ। যাদের সাদিক কায়েম গর্ব করে 'আদুভাই' বলছেন, আবিদের চোখে তারা বিপদের সংকেত।
এই বিতর্ক আসলে শুধু দুই নেতার মুখোমুখি নয় — এটি একটি campus ভবিষ্যৎ নিয়ে লড়াই, যেখানে প্রতিটি শব্দের পিছনে লুকিয়ে আছে সংগঠনের প্রভাব, ক্ষমতার বিন্যাস এবং একটি নতুন ছাত্র leadership সন্ধান। ক্যাম্পাসের পথে যে বিষ ছড়িয়েছে, তা কি মিথ্যা প্রচার, নাকি সত্যের আড়ালে সহিংসতা? এই প্রশ্ন আজ শুধু ঢাবির শিক্ষার্থীদের নয়, গোটা দেশের ছাত্র community কাছে উত্থিত। কে সত্য বলছে, নাকি সত্য নিজেই হারিয়ে গেছে রাজনৈতিক ভাষার জালে?
এই বিতর্ক শুনে মনে হচ্ছে, ছাত্র politics রাজনীতিতে আবার পুরনো দিন ফিরে আসছে।
উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছে, কিন্তু প্রমাণ কোথায়? শুধু accusation অভিযোগ নয়, তদন্তও দরকার।
আবিদের 'কবিতার মতো মিথ্যা' মন্তব্যটা ভুল করে বলেছেন নাকি সচেতনে? এটা তো ব্যঙ্গের শিকার হবেই।
৫ আগস্ট থেকে যে অবস্থা চলছে, তা নিয়ে কেউ কি সত্যিকারের তদন্ত করবে? নাকি সবই drama নাটক?
ছাত্র নেতাদের উচিত ছিল শান্ত আলোচনা করা, টেলিভিশনে তর্ক করে ছাত্র সম্প্রদায়ের নাম নষ্ট করা উচিত নয়।
যারা সেশন ২০০৫-০৬-এর তারা এখনো হলে থাকছে? এটা কি আদৌ normal স্বাভাবিক?
এই বিতর্ক শুধু ভারী কথা নয়, এটা একটা প্রতিচ্ছবি — যেখানে প্রতিটি অভিযোগ হাজারটা প্রশ্ন তুলে।
আমি চাই ছাত্ররাজনীতি হোক শান্তিপূর্ণ, যুক্তিপূর্ণ আর সত্যনিষ্ঠ। সহিংসতা আর ভয় কখনো সমাধান নয়।