মহামারির পর আরেক ঝঞ্ঝায় উপসাগরীয় অর্থনীতি
war শুধু মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করে না—এটি গোটা অর্থনীতিকেও কেঁপে দিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে ongoing সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল কোভিড-১৯ মহামারির পর সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট এর মুখোমুখি। বিশ্লেষকদের ভাষায়, জিসিসি দেশগুলো অর্থনীতি এখন ঝুঁকির মধ্যে, যেখানে তেল হচ্ছে সবচেয়ে বড় ভরসা। কিন্তু তেলের market এখন অস্থির—দাম বাড়ছে, কিন্তু সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালি, যেখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ fuel পরিবাহিত হয়, সেটি প্রায় অচল হয়ে গেছে। এর প্রভাবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং কাতারের refinery ও গ্যাস স্থাপনাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা অর্থনৈতিক ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছে। একটি সময় যে অঞ্চল বৈশ্বিক জ্বালানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ছিল, আজ সেটির নিজের স্থিতিশীলতা প্রশ্নের মুখে।
সর্বশেষ জরিপ বলছে, কাতারের অর্থনীতি পিছনে ফেলতে পারে পুরো percent ৬, কুয়েতের ৪.৪ শতাংশ এবং বাহরাইনের ২.৯ শতাংশ। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবৃদ্ধি প্রায় স্থবির—যেখানে জানুয়ারিতে আশার আলো ছিল। সৌদি আরব ও ওমান তুলনামূলকভাবে ভালো আছে, কিন্তু তাদের সম্প্রসারণও কমে গেছে। এটা শুধু তেলের গল্প নয়—tourism , খুচরা ব্যবসা সবই ক্ষতিগ্রস্ত।
বিশেষজ্ঞ বলছেন, তেলের দাম বাড়া সাধারণত profitable হয়, কিন্তু এবার সরবরাহের ব্যাঘাত সবকিছু উল্টে দিয়েছে। এমনকি global মূল্যস্ফীতিও বাড়ছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোকে আরও চাপে ফেলছে। পরিস্থিতি যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তবে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা হবে কঠিন।
আইএমএফ-এর মতে, যদি যুদ্ধ দ্রুত শেষ হয় এবং জ্বালানি উৎপাদন ও পরিবহন normal হয়, তবে ২০২৭ সালের মধ্যে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সেই আশা এখন একটি নাজুক সমীকরণের ওপর ভরসা করছে—শান্তির ওপর। এখন প্রতিটি দিন জ্বালানির মাত্রা নয়, শান্তির হিসাব করছে। পুনরুদ্ধার এখন কেবল অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিকও।
যুদ্ধ যদি আরও কয়েক মাস চলে, তাহলে কি inflation মূল্যস্ফীতি ১০% ছাড়িয়ে যাবে?
তেলের দাম বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু সরবরাহ বন্ধ হলে লাভ কোথায়?
আমাদের দোকানের retail খুচরা বিক্রি গত মাসে ৩০% কমেছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে বিশ্ব সরবরাহ চেইন কেমন হবে ভাবতেই ভয় লাগে।
আশা করি দেশগুলো শীঘ্রই স্থিতিশীলতা ফিরে পাবে।
জিসিসি দেশগুলো কি কখনো জ্বালানির বাইরে কোনো বৈচিত্র্যকরণ করবে?
আইএমএফ-এর পূর্বাভাস খুব আশাবাদী মনে হচ্ছে।
শান্তি হলে ২০২৭ সালে পুনরুদ্ধার সম্ভব—কিন্তু শান্তি কবে?