সেনার ছাতায় পাকিস্তান: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মধ্যস্থতাকারী?
crisis নিরসনে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এখন দেশটির কূটনীতির মূল driving force । ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো শত্রু রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করে পাকিস্তান শুধু নিজের ভূ-রাজনৈতিক মর্যাদা বাড়াচ্ছেই না, দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেও একটি regional শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে। এমন একটি diplomatic ভূমিকা, যা আগে কখনো প্রকাশ্যে দেখা যায়নি, তা এখন আন্তর্জাতিক আলোচনার টেবিলে পাকিস্তানকে নতুন আসনে বসিয়েছে। বিশেষ করে যখন ঐতিহ্যবাহী কূটনীতি ব্যর্থ হয়, সেখানে military নেতারা এগিয়ে আসছেন—একটি নতুন বিশ্ব reality তৈরি করছেন।
ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের তীব্র tension চরমে পৌঁছায়। এমন সময় পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির একটি fragile যুদ্ধবিরতি তৈরি করেন। তাঁর personal দক্ষতার জন্য ১২–১৩ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই প্রতিপক্ষের senior কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়—১৯৭৯ সালের পর এটি প্রথম এমন সরাসরি talks । যদিও চূড়ান্ত agreement হয়নি, কিন্তু এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কেন সামরিক বাহিনীর ভূমিকা বেশি কার্যকর? তাদের কাছে রয়েছে নিজস্ব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং বিদেশি নেতাদের সাথে সরাসরি communication । এছাড়া, চুক্তি বাস্তবায়নে তাদের রয়েছে গ্যারান্টি দেওয়ার ক্ষমতা—কিছু যা বেসামরিক আমলাতন্ত্র প্রায়শই হারিয়ে ফেলে। কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক procedure তাদের দ্রুত results পেতে সাহায্য করে, যা ধীরগতির রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্ভব নয়।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির efforts পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এমনকি একটি স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনীতে তাদের মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আর আগামী ২০২৫ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে একটি পারস্পরিক defense চুক্তি পাকিস্তানকে মধ্যপ্রাচ্যের security আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে অবিশ্বাসের কারণে ভবিষ্যতের discussions নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও, পাকিস্তানের মধ্যস্থতা চলছে। তুরস্কের প্রতি ইসরায়েলের ক্ষোভ, ওমানের দুর্বলতা এবং জাতিসংঘের failure —এসব ফাঁকে পাকিস্তান নিজেকে এক নতুন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের politics তাদের ভূমিকা আরও গভীর হতে পারে।
সামরিক বাহিনী যদি effective কার্যকর হয়, তবে কেন না? রাজনীতিতে তো শুধু বাচালামি।
এটা কি স্থায়ী নাকি আবার ফিরে যাবে পুরনো ব্যর্থতার দিকে? সন্দেহ থাকছে।
গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক থাকায় advantage সুবিধা বটে, কিন্তু রাজনৈতিক সমর্থন ছাড়া টেকসই হবে না।
যদি শান্তি আসে, তাতে আপত্তি কী? peace শান্তি চাই, যে পথেই হোক না কেন।
মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের প্রভাব বাড়া মানে ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
১৯৭৯ পরবর্তী প্রথম সরাসরি আলোচনা—এটা ছোট কোনো ব্যাপার না।
সামরিক হস্তক্ষেপ কি আসলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান? concern উদ্বেগ থাকে।
স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সে মোতায়েন হলে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে কে?