শিক্ষকদের শ্রান্তি দূর করবে একদিনের ছুটি?
fatigue কেবল শারীরিক নয়, মানসিক বিষয়ও হতে পারে — বিশেষ করে যখন সারাদিন শিশুদের মধ্যে কথা বলে কথা বলে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক teacher এখন ঠিক সেই শ্রান্তির মধ্যে আটকে আছেন, কিন্তু শুধু কাজ নয়, তাদের প্রাপ্য benefit থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী ২৩ মে একটি শনিবার, যেদিন তারা অতিরিক্ত ক্লাস নেবেন, সেদিনটি ছুটি হলে তারা entitled ১৫ দিনের ছুটি পূর্ণ করে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পেতে পারবেন। কিন্তু বিদ্যালয় খোলা থাকায় তা হচ্ছে না — এমন একটি যান্ত্রিক হিসাবের জালে আটকে আছে মানুষের প্রাপ্য অধিকার।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মো. আবুল কাশেম, মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ, খায়রুন নাহার লিপি ও মু. মাহবুবর রহমান নামের চার নেতা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের secretary এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আবেদন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রতি তিন বছর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়া তাদের right , কিন্তু ঈদ ছুটির পরিকল্পনা এবং অতিরিক্ত ক্লাসের কারণে তা বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে কাজ করেও তারা ঘুরে দেখছেন না, বিনোদনের নামে কোনো relaxation নেই।
বিষয়টি নতুন নয়। সরকারি চাকরি বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী, প্রতি তিন বছর পর ১৫ দিনের earned ছুটি নেওয়ার মাধ্যমে একমাসের মূল বেতনের সমান টাকা recreational ভাতা হিসেবে পাওয়া যায়। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ২৪ মে থেকে শুরু হওয়ায়, আগের ২২ মে (শুক্রবার), ২৩ মে (শনিবার) এবং পরের ৫ জুন (শুক্রবার) এর সঙ্গে মিলিয়ে মাত্র ১২ কর্মদিবস। এই calculation মতে ১৫ দিন সম্পূর্ণ না হওয়ায় তারা ভাতা থেকে বঞ্চিত। মানে, চাকরির নিয়ম তাদের পক্ষে থাকলেও ব্যবহারিক দিক থেকে তা কার্যকর হচ্ছে না।
বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে currently ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬২৪ জন শিক্ষক কাজ করছেন। তাদের কাজের nature এমন যে শিশুদের শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য ১০টি শনিবার বিদ্যালয় খোলা রাখা হচ্ছে। এ কারণে শনিবারও তাদের ছুটি নেই। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেছেন, এই দাবি বিবেচনা করা হবে। কিন্তু বিবেচনা আর বাস্তবায়নের মধ্যে প্রায়শই ব্যবধান থাকে — আর সেই ব্যবধানে হারিয়ে যায় একটি সহজ মানবিক দাবি, যার নাম leave ।
শিক্ষকদের dedication নিষ্ঠা আছে, কিন্তু সরকার কি তার জবাব দিচ্ছে?
একটা weekend শনিবার ছুটি হলে তাদের জীবনে কী এমন বিপ্লব আসবে? বুঝি না।
৩ লাখের বেশি মানুষ একই সমস্যায় — এটা আর দুর্ঘটনা নয়, এটা ব্যবস্থাগত failure ব্যর্থতা।
recreation বিনোদন কেবল ফিল্ম বা মুভি নয়, ক্লান্ত মনকে স্পেস দেওয়াও তো বিনোদন।
শনিবার ক্লাস দেওয়া হয় শিশুদের জন্য, কিন্তু শিক্ষকদের জন্য কে ভাববে?
আমার বোন প্রাথমিক শিক্ষক, মাস শেষে অবসরের মতো দেখায়, কিন্তু ছুটি পায় না।
যারা ভবিষ্যত গড়ছে, তাদের ক্লান্তি কি কম গুরুত্বপূর্ণ?
নিয়ম আছে, কিন্তু প্রয়োগ নেই — এটাই তো আমাদের সবচেয়ে বড় problem সমস্যা।