সোনার ভাবনা: পাঁচ সপ্তাহ পর নিম্নগামী যাত্রা
পাঁচ সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর এবার প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম নিম্নগামী হচ্ছে। decline থাকা এই ধাতুর বাজারে শুক্রবার সামান্য উত্থান ঘটলেও সপ্তাহজুড়ে price ২ শতাংশের বেশি কমেছে। মুদ্রাস্ফীতি ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই দুটি উৎসই অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে যা আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপথ বদলে দিচ্ছে। স্পট গোল্ডের দাম শুক্রবার ০.৬ শতাংশ বেড়ে ounce ৪৭২১.১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে—কিন্তু সপ্তাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চাপ বজায় ছিল।
স্বর্ণের বিপরীতে, জুন ডেলিভারির মার্কিন futures ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪৭৪০.৯০ ডলারে স্থির হয়েছে। কিন্তু তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে, যা সুদের হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এটি negative প্রভাব ফেলে স্বর্ণের ওপর, কারণ এটি একটি সুদবিহীন সম্পদ। ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো মন্তব্য করেন, together তেল, সুদের হার, ডলার ও বন্ড ইয়িল্ডের চাপে স্বর্ণের মূল্য নিচে নামছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের ইয়িল্ড এ সপ্তাহে ১.৫ শতাংশ বেড়েছে—যা স্বর্ণের তুলনায় বন্ডে বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়িয়েছে। সুদ দেওয়া সম্পদের তুলনায় সুদবিহীন ধাতু হিসেবে স্বর্ণের জনপ্রিয়তা কমছে। আবার, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান অন্যান্য মুদ্রায় স্বর্ণ কেনাকে expensive করে তুলছে। এই দুটি কারণে বিশ্বব্যাপী চাহিদা হ্রাস পাচ্ছে।
তবুও, স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম বেড়েছে। রুপার দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে silver ৭৬.৪৯ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং প্যালাডিয়াম ২.২ শতাংশ বেড়ে ১৪৯৯.৭৫ ডলারে উঠেছে। এই ধাতুগুলির বৃদ্ধি নির্দেশ করে যে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি ছড়িয়ে দিতে চাইছেন। বিশ্লেষক ড্যানিয়েল পাভিলোনিস বলেন, শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা positive সংকেত দিলেও overall অনিশ্চয়তা এখনও বজায় আছে।
হরমুজ প্রণালি এখনও বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহের উপর ছায়া রয়েছে। এটি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে। বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে আছেন। শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা যদিও কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে, কিন্তু বাজার এখনও cautious । সবমিলিয়ে, স্বর্ণের বাজার temporary উত্থান সত্ত্বেও বৈশ্বিক চাপে তার স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। investor এখন পর্যবেক্ষণের অবস্থানে।
ডলার শক্তিশালী হলে আমাদের মতো দেশের জন্য সোনা কেনা সত্যিই difficult কঠিন হয়ে যায়।
বন্ডের ইয়িল্ড বাড়লে স্বর্ণের চাহিদা কমবেই, এটা অর্থনীতির মৌলিক নীতি।
রুপার দামও বাড়ছে, কিন্তু সবাই শুধু সোনার দিকে তাকায় কেন? attention মনোযোগ শুধু এক জায়গায় থাকা ঠিক না।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথার ওপর বাজার কতটা নির্ভর করে, ভাবলেই অবাক হতে হয়। depends নির্ভর করা কি এতটাই স্বাভাবিক?
সংঘাত কমলে হয়তো বাজার স্থিতিশীল হবে, কিন্তু এখন তো কেউ ঝুঁকি নিতে চায় না।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে শক্তি সরবরাহে যে ঝুঁকি তা অস্পষ্ট নয়।