সার্ক প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করা হয় আন্টালিয়া ফোরামে
তুরস্কের আন্টালিয়া কূটনৈতিক ফোরামে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে, এবং planটি পুনরুজ্জীবিত করার pressure সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসে দাঁড়িয়েছে।
সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের role গভীর শ্রদ্ধাসহ স্মরণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, এবং তারেক রহমান সরকারের বৈদেশিক policy অন্যতম মূল লক্ষ্য হিসেবে revival তুলে ধরেন।
এই মন্ত্রীপর্যায়ের আলোচনায় পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার ও আফগানিস্তানের পরিবহনমন্ত্রী আজিজিও অংশ নেন, এবং সকলে একমত হন যে দক্ষিণ এশিয়ায় আরও বেশি cooperation সম্ভব, কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন dialogue ও কূটনৈতিক প্রয়াসের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী barriers দূর করা।
বক্তারা জোর দেন যে আঞ্চলিক সংহতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে diplomacy একমাত্র কার্যকর পথ, এবং সার্কের মাধ্যমে সেই সংহতির সূত্রপাত সম্ভব হয়েছিল। তবে বছরের পর বছর ধরে স্তব্ধ হয়ে থাকা এই সংস্থার পুনরুজ্জীবনে trust ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশ তার বৈদেশিক নীতির একটি কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে সার্কের relevance আবার তুলে ধরতে চাইছে, যা আঞ্চলিক stability ও অর্থনৈতিক সুযোগের দিকে একটি স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জিয়াউর রহমানের সময়ে সার্ক শুধু ধারণা নয়, ছিল বাস্তব initiative উদ্যোগ। আজকের নেতারা কি সেই আত্মবিশ্বাস আনতে পারবে?
সার্ক পুনরুজ্জীবিত হবে শুনে ভালো লাগল, কিন্তু পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা কমার sign লক্ষণ তো কিছু দেখছি না।
আফগানিস্তান থেকে মন্ত্রী এসেছেন? তার মানে হয়তো সার্ক আবার গুরুত্ব পাচ্ছে। আশা করি barrier বাধা ভাঙবে।
বাংলাদেশ সবসময় stability স্থিতিশীলতা চায়, কিন্তু আঞ্চলিক রাজনীতি কি সেটা দেবে?
কথা হচ্ছে, কাজ হচ্ছে না। কত বার সার্ক পুনরুজ্জীবিত হবে বলা হয়েছে? trust আস্থা আসবে কীভাবে?
আন্টালিয়া ফোরামে এই আলোচনা ভালো, কিন্তু আসল কাজ তো আমাদের আঞ্চলিক মাটিতেই হবে। dialogue সংলাপ যদি শুধু মঞ্চেই থাকে, তাহলে লাভ নেই।