ইরান-মার্কিন উত্তেজনার মধ্যে মোদী-ট্রাম্প ফোনালাপ, হরমুজ প্রণালী নিয়ে আলোচনা
আমেরিকা-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সরাসরি ফোনালাপ হয়েছে। এই new contact আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মোদী নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে এই কথা জানান, বলেন, 'বন্ধু' ট্রাম্পের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
উভয় নেতার মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল হরমুজ প্রণালীর security । এই জলসন্ধি বিশ্বের তেল সরবরাহের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মোদী ট্রাম্পকে বলেন, প্রণালীটি যাতে সবসময় open ও নিরাপদ থাকে, সে বিষয়ে তাঁদের সম্মিলিত effort থাকবে। এতে ভারতের শক্তি সরবরাহের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে।
দ্বিপাক্ষিক relations আরও শক্তিশালীকরণের প্রতি উভয় পক্ষ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান মোদী। তিনি উল্লেখ করেন, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে cooperation বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। আমেরিকার ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সহ একাধিক বড় deal ঘোষিত হতে পারে।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান-মার্কিন উত্তেজনা বাড়লে তা বিশ্বব্যাপী তেলের market এবং অর্থনীতিতে impact ফেলবে। ভারত, যেহেতু ইরান থেকে তেল আমদানি করে, সেক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালীর অবরোধ তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে দিল্লি এখন সক্রিয়ভাবে এই প্রেক্ষাপটে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চাইছে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৪ মার্চ মোদী-ট্রাম্পের মধ্যে দুটি ফোনালাপ হয়েছিল, যেখানে বাণিজ্য ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু এবারের আলোচনা আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন মধ্যপ্রাচ্যের tension চরমে। হরমুজ প্রণালী রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে সমন্বিত strategy গড়ে উঠতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখা নিশ্চিত করার pressure চাপ আছে ভারতের ওপর। আমাদের জ্বালানি security নিরাপত্তা এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির খেলার মাঠে।
ট্রাম্প বলছেন 'আমরা সবাই আপনাকে ভালোবাসি' – কিন্তু এর পেছনে কি কেবল বাণিজ্যিক interest স্বার্থ নয়? আন্তর্জাতিক কূটনীতি কি এখন বন্ধুত্বের কথা নাকি শুধু deal চুক্তি?
আমেরিকা-ইরান সংঘাত যদি বাড়ে, তেলের price দাম লাফিয়ে উঠবে। সেটা আমাদের প্রতিটি মানুষের পকেটে impact প্রভাব ফেলবে।
মোদী-ট্রাম্পের ফোনালাপ দেখাচ্ছে ভারত এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ player খেলোয়াড়। কিন্তু কতটা স্বাধীন নীতি আমরা নিচ্ছি, সেটাই প্রশ্ন।
হরমুজ প্রণালীতে নৌবাহিনী নিয়োজিত করার মতো সিদ্ধান্ত হলে তা military সামরিক ঝুঁকি বাড়াবে। কূটনৈতিক solution সমাধান খোঁজাই ভালো।
যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ভারতকে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে। কিন্তু আমাদের নিজস্ব বৈদেশিক নীতি আছে। কতদূর ট্রাম্পের pressure চাপ মানবো, তা দেখার।