‘মেলোনির সঙ্গে আগের মতো সম্পর্ক নেই’, ন্যাটোকেও কড়া বার্তা দিলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও new tension তৈরি করেছেন ইউরোপের সঙ্গে। ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির প্রতি clear warning দিয়ে বলেছেন, তাদের আগের কালের সম্পর্ক আর ফিরবে না। এই বিচ্ছিন্নতা দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে যখন মেলোনি পোপের প্রতি ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানে যুক্ত হতে refusal জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের ভাষায়, মেলোনির মনোভাব negative । তিনি বলেছেন, যেসব নেতা বৈশ্বিক সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায় না, তাদের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আগের মতো থাকা impossible । কেবল একজন নেত্রীকে নয়, গোটা ন্যাটোকেই তিনি প্রশ্ন করেছেন: কেন এই সদস্য দেশগুলো solidarity প্রকাশ করছে না? এটি শুধু কূটনৈতিক অসন্তোষ নয়, বরং মিত্রতার ভিত্তিতে crack পড়ার সংকেত।
বিষয়টি কেবল ইতালি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। ন্যাটোর প্রতি ট্রাম্পের অভিযোগ গুরুতর: যদি এই সদস্যরা ইরানের মতো বড় সংকটে মার্কিন পক্ষে না থাকে, তবে বছরে শত শত billion dollars ব্যয় করে এই জোট বজায় রাখা কীসের justification আছে? এই pressure ইউরোপীয় মিত্রদের জন্য স্পষ্ট সংকেত যে তাদের নীরবতা আর টেকবে না।
বৈশ্বিক রাজনীতিতে এই ঘটনা impact ফেলবে। আমেরিকা যদি ন্যাটোর প্রতি আস্থা হারায়, তবে পশ্চিমা জগতের কূটনৈতিক ঐক্য weaken হবে। ইউরোপ নিজেকে পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য হবে। একইসঙ্গে রাশিয়া বা চীনের মতো অন্যান্য শক্তি এই gap কাজে লাগানোর সুযোগ খুঁজবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য শুধু কথা নয়, এটি একটি strategic warning ।
মেলোনি যেমন আন্তর্জাতিক চাপে আছেন, তেমনি গোটা ন্যাটো এখন trust ফিরে পেতে সংকটের মুখোমুখি। ট্রাম্পের সরাসরি ভাষা শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি একটি reality যে আন্তর্জাতিক জোটগুলো আর আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারবে না। নতুন যুগের কূটনীতি ক্রমশ হয়ে উঠছে transactional —সমর্থন আছে কি না, তাই এখন মূল প্রশ্ন।
ট্রাম্প আবার এসে গেলেন? এই drama নাটক কি কখনো শেষ হবে?
ন্যাটোর জন্য billion dollars বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়, কিন্তু সংকটে তারা পাশে নেই—ট্রাম্পের point পয়েন্ট আছে।
মেলোনি কি সত্যিই ভুল করেছেন? নাকি ইউরোপ শুধু নিজের interest স্বার্থ রক্ষাই করছে?
এই gap ফাঁক পূরণ করতে চীন এগিয়ে আসবে, এটাই prediction পূর্বাভাস।
মিত্রতা কি এখন আর আদর্শের ভিত্তিতে হয়? নাকি সবই transactional লেনদেন?
ট্রাম্পের এই pressure চাপ কি ন্যাটোকে আসলে একত্র করবে, নাকি ভাঙবে?