এবার এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল হল
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী the nomination বাতিল হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে। কারণ তিনি নির্ধারিত সময়ের পরে জমা দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ছিল আসনগুলির জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। কিন্তু নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে জমা দেন, যখন সময় শেষ হয়েছিল বিকাল ৪টায়। এই delay তার প্রার্থিতাকেই শেষ করে দিয়েছে।
এদিকে, একই দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র এখনও ঝুলে আছে। তাঁকে চাকরি ছাড়ার প্রমাণ জমা দিতে হবে। আইন অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের তিন বছর না পারলে কেউ eligible হতে পারেন না সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য। মনিরা শারমিন শুধু চার মাস আগে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ছেড়েছেন। এ কারণে তাঁর উপর প্রযোজ্য হয়েছে আইনি barrier ।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র জমা পড়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রাথমিকভাবে ১২টি আবেদন accepted করেছেন। এগুলি হল ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ১৩টি মনোনয়নের মধ্যে। মনিরা শারমিন ছাড়া অন্য সবাই এ তালিকায় রয়েছেন। তাঁকে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য।
আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচন। এটি হবে indirect ভাবে, সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তগুলি কি নীতি অনুযায়ী হয়েছে, নাকি কোনো চাপের মুখে? অনেকে মনে করছেন, এটি political pressure নয়, শুধু আইনের প্রয়োগ।
অন্যদিকে, এনসিপির পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ন্যায়বিচারের বাইরে বলা হচ্ছে। তাঁদের মতে, সময়মতো মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়নি বলে বাতিল হওয়াটা কঠোর, কিন্তু আইনি ভাবে সঠিক। কিন্তু মনিরার ক্ষেত্রে সময় দেওয়াটা দেখাচ্ছে যে কমিশন কিছুটা flexibility রাখছে। এটি অনেকের মনে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে: আইন সবার জন্য সমান কি না।
১৯ মিনিট delay বিলম্ব এত বড় অপরাধ? মানুষ তো ভুল করতে পারে।
একই আইন, কিন্তু একজনের জন্য বাতিল, আরেকজনের জন্য সময় দেওয়া — এটা কি সত্যিই fair ন্যায়?
মনিরা শারমিন যদি সত্যিই চাকরি ছাড়ার কাগজ জমা দেন, তাহলে eligibility যোগ্যতা নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না।
রাজনীতি হোক, কিন্তু আইনের সম্মান করা উচিত। সময় পেরিয়ে গেলে তো rules নিয়ম মানতেই হয়।
কমিশন যদি আগে থেকেই সময়সীমা জানিয়ে দেয়, তাহলে এমন confusion বিভ্রান্তি এড়ানো যেত।
একটা মহিলা প্রার্থীকে বাতিল করা হলো, আরেকজনকে দেওয়া হলো আরও সময় — এখানে কি পক্ষপাত আছে?