ভাঙা আঙুল, গরম লোহা: রাজন্যার লড়াইয়ের কাহিনী

election প্রচারে গিয়ে candidate রাজন্যা হালদারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, আর তা কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয় — মনে হচ্ছে এটি একটি নারী কর্মীর শব্দহীন ভয়কে প্রকাশ করছে। সোনারপুর দক্ষিণের independent প্রার্থী তিনি, আর ভোটের মাত্র দু’দিন আগে তাঁর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ তৃণমূল কাউন্সিলর রেশনা মণ্ডলের স্বামী শাহেনশাহের বিরুদ্ধে। রাজন্যা বলছেন, একটি ছেলের পরীক্ষার জন্য কাউন্সিলারের সই চেয়ে তিনি বারবার আবেদন করেছিলেন, কিন্তু তা পাননি — তারপর তিনি সরাসরি গেলেন, আর ফিরলেন ভাঙা আঙুল আর লাল গলা নিয়ে।

আক্রমণের বিবরণ রাজন্যা বিস্তারিত দিয়েছেন: ওড়না দিয়ে গলা টেনে ধরা, গরম iron দিয়ে শরীরে আঘাত, হাত দুমড়ে আঙুল ভাঙা। তাঁর নির্বাচনী agent ও সহকর্মী মহিলাদের মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। এটা শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি একটি সহিংসতার ঘটনা যেখানে নারীদের কণ্ঠস্বরকে দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে। protest করতে এলে তাদের মারধর করা হয় — যেন ভোটের ময়দান শুধু ক্ষমতার নয়, ভয়েরও মাঠ।

পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের। কাউন্সিলার রেশনা মণ্ডল বলেছেন, রাজন্যা উস্কানিমূলক ভাষণ দিচ্ছিলেন এবং বহিরাগতদের নিয়ে এলাকায় চক্রান্ত করছিলেন। তাঁদের ছেলেদের উস্কানি দেওয়া হচ্ছিল, তাই complaint করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, প্রতিবাদের জবাবে বলপ্রয়োগ হয়েছে, কিন্তু তা আত্মপক্ষ সমর্থনে। উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, আর রাজ্য election কমিশনেও বিষয়টি উঠেছে।

সোনারপুর দক্ষিণে এবার তৃণমূলের প্রার্থী লাভলি মৈত্র, আর বিজেপির প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। রাজন্যা হালদার যদিও নির্দল হিসেবে লড়ছেন, কিন্তু ঘটনাটি দেখাচ্ছে যে নির্দল প্রার্থীদের presence কখনও কখনও ক্ষমতার লোকদের জন্য বেশি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের কণ্ঠ চেপে দেওয়া হয়, হয়তো কারণ তারা কোনো বড় দলএর ছাতার নিচে নেই। রাজনীতি কি এখনও শুধু দলের নামে হয়, নাকি একজন মানুষের সাহসও কোনো দিন ভোট জেতাতে পারে? গণতন্ত্র সেটাই প্রশ্ন করছে।

প্রতিক্রিয়া 7

  • গঙ্গার_সন্তান

    ভাঙা আঙুল, ফাটা মুখ — এগুলো কি আর কোনো রাজনীতির দাম? মহিলা প্রার্থীদের এভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে, আর কেউ কিছু বলছে না।

  • সোনারপুর_২৪

    তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ কি সত্যি? নাকি এটা শুধু এড়ানোর কৌশল? প্রমাণ ছাড়া কিছু বলা যায় না।

  • রাজনৈতিক_চোখ

    নির্দল প্রার্থী হওয়া মানেই যে তাঁরা দুর্বল, সেটা কিন্তু নয়। কিন্তু দল না থাকলে সুরক্ষা কম, এটা বাস্তব।

  • নীলাচলের_কণ্ঠ

    গরম iron দিয়ে আঘাত? এটা কি কোনো সভ্য সমাজে সম্ভব? এটা তো নির্যাতন।

  • মা_গঙ্গা

    বাংলার মাটিতে মহিলা যখন রাজনীতিতে এগিয়ে আসেন, তখন এমন হামলা ঠেকাতে হবে। তাঁদের সাহসকে সম্মান দিতে হবে।

  • প্রশান্ত_১৯৭১

    আঙুল ভাঙা গেল, কিন্তু তাঁর ইচ্ছেশক্তি ভাঙেনি। এটাই মূল কথা।

  • বাংলা_বাণী

    ভোট আসছে, আর প্রচার মানে হয়তো এখন হাতাহাতি। কবে রাজনীতি হবে peaceful ?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]