ভাঙা দেয়াল, ভাঙা আস্থা: ভোটের পরও কুঞ্জঘাটার হিংসা
clash কাটছাঁটের পরও নেভে না বহরমপুরের রাজনৈতিক উত্তাপ। ভোটের দিন কুঞ্জঘাটার ১ নম্বর বুথের কাছে যে tension দেখা দিয়েছিল, তার প্রতিধ্বনি শোনা গেল শনিবার রাতে। কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে attack অভিযোগ তোলা হয়েছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে, আবার এবার তাদের বাড়িতে ভাঙচুর হওয়ার খবর উঠে এসেছে। রাজনীতি যেন ছড়িয়ে পড়েছে রাস্তার ধারে, ভোটপত্র নয়, বাটখারা ও ভাঙা দেয়াল এখন evidence ।
অভিযোগ, তৃণমূল-আশ্রিত কয়েকজন activist কংগ্রেস প্রতীকের সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে দরজা-জানালা ভেঙে যায়। এমন incident ঘিরে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। কেউ বলছেন, এটা শুধু ভাঙচুর নয়, হেনস্থার পরিকল্পিত নাটক। কেউ বা মনে করছেন, পরাজয়ের পর হারা দলের response এসে উঠেছে রাস্তায়। কিন্তু কোনো তদন্ত শুরু হয়েছে কিনা, তা এখনও অস্পষ্ট।
বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী ঘটনার কথা শুনে ওই এলাকায় যাওয়ার decision নেন। তাঁর উপস্থিতি যেন আরও বাড়িয়ে তোলে উত্তেজনা। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, "such বিষয় আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।" এই statement যেন স্বীকারোক্তির পরিবর্তে অস্বীকারের ভঙ্গিতে। কিন্তু প্রশ্ন থাকে, কেন এত ঘটনা একই এলাকায়?
এখানে ভোট শেষ হয়নি মাঠে। রাজনীতি এখন ঘরে-ঘরে, দেয়ালে-দেয়ালে। যে গণতন্ত্র ভোট বাক্সে শেষ হওয়ার কথা, সেটা যেন রাস্তার হিংসায় ক্ষয় হচ্ছে। প্রতিটি ভাঙা জানালা এখন symbol , প্রতিটি নীরব আর্তনাদ warning । কখন থামবে এই চক্র? কখন ফিরবে peace ?
ভাঙচুর হচ্ছে, কিন্তু পুলিশ কোথায়? authority কর্তৃপক্ষ কি চোখ বুজে আছেন?
ভোট শেষ, কিন্তু হিংসা শুরু – এটা কি আমাদের রাজনীতির নতুন নিয়ম?
অধীর চৌধুরী গেলেন, কিন্তু সমাধান কি শুধু প্রদর্শনে?
এত violence সহিংসতা কেন? গণতন্ত্রের নামে এটা চলবে কতদিন?
তৃণমূল অস্বীকার করছে, কংগ্রেস অভিযোগ করছে – আসল ঘটনা কখনোই জানা হবে না।
এলাকার মানুষ ভুগছে, আর নেতারা বক্তৃতা দিচ্ছে। reality বাস্তবতা কি এটাই?