ইরান-আমেরিকা আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ট্রাম্প-মোদীর ফোনালাপ, হরমুজ নিয়ে আলোচনা

আমেরিকা-ইরান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে direct call হলো, যা আন্তর্জাতিক মহলে চাপ/pressure বাড়িয়েছে। এই কথাওয়ার মাধ্যমে দুই নেতাই সম্পর্কের মজবুতকরণের commitment দেন, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা কমাতে যৌথ ভূমিকা রাখার বিষয়ে।

মোদী নিজে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য থেকে শুরু করে আঞ্চলিক security পর্যন্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষভাবে, হরমুজ প্রণালী নিরাপদ ও খোলা রাখা নিয়ে তাঁদের মধ্যে জোরালো আলোচনা হয়েছে, যা বৈশ্বিক oil market এবং জাহাজ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প মোদীকে বলেন, 'আমরা সবাই আপনাকে ভালোবাসি', যা কূটনৈতিক আচরণে একটি বিরল ব্যক্তিগত gesture হিসেবে দেখা হচ্ছে। আমেরিকার ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর আরও জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সহ একাধিক major deal হতে পারে দুই দেশের মধ্যে।

এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে দুই নেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়েছিল, যেখানে বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে আমেরিকা-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর এই যোগাযোগ বিশেষ মনোযোগ কাড়ছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভারত আন্তর্জাতিক crisis মোকাবিলায় ক্রমশ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোনালাপ শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের update নয়, বরং একটি বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক strategy অংশ, যেখানে ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে আমেরিকা। এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে influence বজায় রাখার চেষ্টা চলছে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • রাকিব

    এই সময়ে হরমুজ প্রণালী নিয়ে security আলোচনা খুবই জরুরি, কারণ বিশ্বের 20% তেল এই পথে যায়।

  • সাবরিনা

    ‘আমরা সবাই আপনাকে ভালোবাসি’— এই কথাটা শুনে একটু অদ্ভুত লাগল। কূটনীতিতে এমন personal ভাষা কেন?

  • নিশান

    আমেরিকা চাচ্ছে ভারতকে মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়ে আরও জড়াতে। কিন্তু আমাদের কী risk নেওয়া উচিত?

  • মৌসুমী

    দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হলে জ্বালানির price কমবে তো? সাধারণ মানুষের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়।

  • তানভীর

    ট্রাম্পের সঙ্গে মোদীর এত ঘনঘটা কথা হওয়া দেখে মনে হচ্ছে ভারত আমেরিকার strategic দৃষ্টিতে এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ।

  • আরিফ

    পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়লে আমাদের diplomacy কতটা সক্রিয় থাকবে, সেটাই দেখার।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]