‘চিকিৎসা নয়, সুস্থ রাখা’—ডা. হায়দারের নতুন দায়িত্বের শুরুতে একটি বড় ঘোষণা
duty নেওয়ার পরই ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার প্রথমে গেলেন শেরে বাংলা নগরের সমাধিতে। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে assistant পদমর্যাদায় তাঁর নিয়োগ হওয়ার পর ছিল বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সেই পবিত্র অনুষ্ঠান। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে respect দিলেন তিনি। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মৃতের আত্মার মাগফিরাত ও খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়। এটি শুধু রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয়, বরং স্বাস্থ্য সংস্কারের যাত্রায় একটি symbolic সূচনা।
সাংবাদিকদের সামনে ডা. হায়দার স্পষ্ট করে বললেন: তাঁর লক্ষ্য শুধু হাসপাতাল নয়, বরং প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। তিনি বলেন, গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসা থেকে excluded না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। চিকিৎস্যাকেন্দ্রীক ব্যবস্থা থেকে সরে এসে এখন দরকার প্রতিরোধ কেন্দ্রিক মডেল। এটাই হবে ভবিষ্যতের পথ। গ্রামের প্রাথমিক treatment ব্যবস্থা হবে আরও শক্তিশালী।
তাঁর কথায়, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো হবে। digital স্বাস্থ্যসেবা আর কমিউনিটি ক্লিনিককে কাজে লাগানো হবে। সেইসাথে, দক্ষ doctor ও নার্সদের নিয়োগ দ্রুত ত্বরান্বিত করা হবে। এটি কোনো ঘোষণা নয়, বরং একটি নতুন দায়িত্বের প্রতিশ্রুতি। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোই হবে মূল লক্ষ্য।
এই পদক্ষেপ শুধু একটি নতুন appointment নয়, এটি স্বাস্থ্য নীতির একটি নতুন দিগন্তের sign । যেখানে মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর নয়, বরং অসুস্থ হওয়ার আগেই সতর্ক করা হবে। সম্প্রদায়ভিত্তিক স্বাস্থ্য কর্মসূচি হবে মূল হাতিয়ার। এ ক্ষেত্রে শুধু ডাক্তার নয়, প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মী হবেন একজন অভিভাবক। লক্ষ্য সুস্থ জাতি, যেখানে চিকিৎসা হবে সহজলভ্য, আর রোগ হবে নিয়ন্ত্রিত।
ভালো কথা বলেছেন, কিন্তু গ্রামে clinic ক্লিনিক তো আগেও ছিল—কাজ করে না কেন?
প্রতিরোধ কেন্দ্রিক মডেল মানে কি শুধু টিকা? আরও কি details বিস্তারিত চাই?
মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোই হবে সবচেয়ে বড় সাফল্য।
ডিজিটাল স্বাস্থ্য মানে ফোনে ডাক্তারের পরামর্শ? আশা করি technology প্রযুক্তি সবার জন্য হবে।
নিয়োগ জোরদার করবেন—কিন্তু কোথা থেকে আসবে নার্স? ক্ষেত্রে তো ঘাটতি।
শেরে বাংলা নগরে যাওয়াটা রাজনৈতিক, কিন্তু স্বাস্থ্য তো জনগণের অধিকার।
এমন দৃষ্টিভঙ্গি আগে শোনা যায়নি। আশা করি কথার চেয়ে action কাজ হবে বেশি।
ভাবুন তো, একদিন গ্রামের মেয়েও তার মোবাইলে পরামর্শ নেবে!