কার্ডের প্রতিশ্রুতি, শ্রমিকের বাস্তবতা: কতদূর পৌঁছেছে সুরক্ষা?

একটি কার্ডের পকেট থেকে প্রতিশ্রুতি বের হয়—promise যেন বৃষ্টির মতো, অপেক্ষায় রাখে শুকনো মাটির মতো মানুষ। কিন্তু সেই বৃষ্টি কি আসলে মাটি স্পর্শ করছে? আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রশ্নই ছিল মূল question । জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, government ফ্যামিলি কার্ড আর শ্রমিক কার্ড নিয়ে কথা বলছে, কিন্তু এগুলো কি আদৌ মানুষের হাতে সোশ্যাল সুরক্ষা পৌঁছাচ্ছে? তিনি জানান, খোদ ministry স্বীকার করেছে—১৫ শতাংশ অযোগ্য পরিবারও ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে।

এই কার্ডের রাজনীতি ঘিরে তিনি সতর্ক করেন: politics করে কোনো ফল নেই। মানুষকে দিতে হবে concrete । ‘ইউ হ্যাভ টু গিভ আ কনক্রিট বেনিফিট টু দ্য পিপল’—এই মন্তব্য তুলে ধরে মান্না জোর দেন, যতক্ষণ না সুরক্ষা ও কল্যাণ হয় মাটির মানুষের জীবনে visible , ততক্ষণ কাগজি প্রকল্পে বিশ্বাস রাখা যায় না। সরকার যদি সত্যিকারের welfare গড়তে চায়, তবে শুধু কার্ড ছাপালে হবে না—action চাই।

অন্যদিকে, এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম উদ্‌ঘাটন করেন ভয়াবহ সত্য। ২০২৫ সালে ২৬০টি ঘটনায় ৯৬ জন শ্রমিক নিহত, ১ হাজার ২১ জন আহত এবং ১৬৮ জন কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুবরণ করেন। ২০২৬-এর প্রথম তিন মাসেই ১৩৯ ঘটনায় ৩০ জন মারা যান। এ ধরনের উল্লেখযোগ্য increase এবং মার্চ মাসে হঠাৎ ঘটনার সংখ্যা বাড়া নিঃসন্দেহে একটি trend চিহ্নিত করে। নিরাপত্তা তো দূরের কথা, মৌলিক অধিকারও নেই অসংগঠিত শ্রমিকদের—বর্তমানে দেশের ৯৬ শতাংশ শ্রমিক এই শ্রেণির।

মানবাধিকারকর্মী নূর খান তুলে ধরেন চিকিৎসার ক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো বৈষম্য: মালিকেরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিদেশে চিকিৎসা নেন, অথচ একজন শ্রমিক cannot । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, মানবাধিকার আন্দোলন এখনো শ্রমিকদের অধিকারকে justice হিসেবে দেখে না—reality এটাই। আয়োজনের শেষে বকেয়া মজুরির আন্দোলনে শহীদ শ্রমিকদের স্মরণে এক মিনিটের silence পালন করা হয়—একটি মৌন কিন্তু ক্ষুব্ধ message রাজনীতি ও ক্ষমতার দরবারে।

‘শ্রমিকদের অধিকার মানবাধিকার’—এই স্লোগানে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল এবং শেষ হয়েছে প্রতিজ্ঞা নিয়ে। কিন্তু প্রতিজ্ঞা কি প্রতিফলিত হবে policy ? সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মো. আবু জাফর বলেন, মালিক থেকে সরকার—সবাই মিলে অসংগঠিত শ্রমিকদের rights কেড়ে নিচ্ছে। যে শ্রমিক রাষ্ট্রের ভিত গড়েছে, তার জীবন আজও vulnerable পূর্ণ। শুধু কার্ড নয়, কাজ চাই—সম্মান চাই।

প্রতিক্রিয়া 8

  • শ্রম_সত্য

    কার্ড দিয়ে কি মানুষের hunger মিটবে? এটা তো আর খাবার না।

  • নীরব_সৈনিক

    ২০২৬ এর প্রথম তিন মাসে ১৩৯টি ঘটনা? এটা কি শুধু পরিসংখ্যান, নাকি প্রতিটি সংখ্যা একেকটি মানুষের মৃত্যু?

  • মমতা_বাজেদ

    যারা দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরায়, তাদের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা নাই—এটা কি ন্যায়সঙ্গত? healthcare মৌলিক অধিকার হওয়া উচিত।

  • রাবিতা_কর্মজীবী

    নারী শ্রমিকদের safety নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে—এটা আর অবহেলা করা যাবে না।

  • সাম্যবাদী_৭১

    ১৯৭১ থেকে ২০২৪—প্রতিটি আন্দোলনে শ্রমিকের রক্ত, কিন্তু পুরস্কার তো মালিকের বিলাস।

  • প্রগতির_দাবি

    সরকার যদি সত্যিকারের development চায়, তবে শ্রমিকদের সুরক্ষা হতে হবে অগ্রাধিকার।

  • জনপথের_কণ্ঠ

    এই নীরবতা মিনিটটা ছিল সবচেয়ে কথাওয়ালা মুহূর্ত।

  • বাদল_শ্রমিক

    আমরা কার্ড চাই না, আমরা চাই ন্যায়। justice মানেই জীবন।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]