ট্রাম্প আবার ইরানে বিমান হামলা চালানোর কথা ভাবছেন: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
পাকিস্তানে সপ্তাহান্তে হওয়া আলোচনা failure হওয়ার পর ইরানের বিরুদ্ধে আবার বিমান হামলা চালানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। report অনুযায়ী, প্রশাসনটি সামরিক ও অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই intensified measures নেওয়ার সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, প্রস্তাবিত বিমান হামলাগুলি প্রেসিডেন্টের গত রবিবার ঘোষিত হরমুজ প্রণালীর নৌ অবরোধের মতো অন্যান্য আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে সমর্থন করবে। বিবিসিকে সাড়া দিতে গিয়ে সাদা ভবন strategic ambiguity বজায় রেখেছে।
সাদা ভবনের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস নিশ্চিত করেছেন যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে ইরানের কাছ থেকে যা মার্কিন প্রশাসন extortion হিসেবে দাবি করে, তা বন্ধ করতে naval blockade আদেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, "প্রেসিডেন্ট সতর্কতার সঙ্গে অন্য সমস্ত options বিবেচনা করছেন। আমেরিকা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, কেউ যদি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে তা জানিয়ে থাকে, তবে তা সম্পূর্ণ speculative ।"
প্রায় ২১ ঘণ্টার ব্যর্থ কোনো কোনো আলোচনার পর আবার সামরিক planning শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকে নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা "নিয়ন্ত্রিত" সংঘাতের তুলনায় আবার বিমান হামলা চালানোকে significant escalation পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
আবার একটা যুদ্ধের risk ঝুঁকি? অর্থনীতিতে চাপ আসবে, আমরা তো সবাই ভোগব।
সবসময় সব বিকল্প টেবিলে রাখা হয়, কিন্তু কখনোই কোনো স্পষ্ট কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। hypocrisy দ্বৈত নীতি ছাড়া আর কিছু না।
আমার ভাই নৌসেনায় আছে, এই খবরে মনে অশান্তি লাগছে। pressure চাপ বাড়লে মানুষ আগুনে পুড়বে।
নৌ অবরোধ মানেই তেলের দাম বাড়বে। এটা বাজারের ওপর সরাসরি impact প্রভাব ফেলবে।
আরেকটা যুদ্ধে জড়িয়ে গেলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কী প্রতিক্রিয়া হবে? public trust জনসাধারণের আস্থা কি থাকবে?
অবরোধ আর হামলা—দুটোই তো যুদ্ধের কাছাকাছি। আসলে তো শান্তির কোনো plan পরিকল্পনা নেই।