আইন নয় রাজনীতি: নজরুল ইসলাম খানের সতর্কবার্তা
law ভাঙার ছাড়পত্র কোনো রাজনৈতিক দলকেই দেওয়া হবে না—এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তাঁর ভাষায়, দেশের সংবিধান ও আইনের বিরুদ্ধে কাজ করলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই action নেওয়া হবে। শনিবার জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এই মন্তব্য করেন তিনি, যা শুধু একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং এক ধরনের warning । আইন অমান্য করে কারও রাজনীতি করার অধিকার নেই, বলে জোর দিয়েছেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাষ্ট্র ও আইনের উপর কোনো চ্যালেঞ্জ না তোলার অপরিহার্যতা তুলে ধরেছেন।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেছেন, রাষ্ট্রবিরোধী activities শুরু করলে তা কেবল বিএনপির বিরুদ্ধেই নয়, পুরো সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে হবে। সেক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নয় কোনো রাজনৈতিক দল। এ ধরনের বক্তব্য এমন সময় এসেছে যখন রাজনীতিতে tension বাড়ছে এবং দলগুলোর মধ্যে conflict গভীর হচ্ছে। তাঁর কথায়, বিএনপি কখনোই জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে না, তাই কোনো restriction নিয়ে তাদের ভয় নেই।
আওয়ামী লীগের মতো corrupt রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করবে না বলে তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করেন। একেবারে ফ্যাসিবাদের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় দলের council আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন, এবং দ্রুতই বিএনপিসহ তার অঙ্গসংগঠনগুলোর কাউন্সিল আয়োজন করা হবে। এটি একটি সংগঠনীয় revival প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়, যা রাজনৈতিক দৃশ্যপটে প্রভাব ফেলতে পারে।
জিয়া উদ্যানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনসহ বিভিন্ন নেতা। তাঁদের উপস্থিতি নির্দেশ করে যে, এটি কেবল বিএনপির নয়, সহযোগী alliance পর্যায়ের একটি ঘটনা। এমন সময় রাজনীতির ময়দানে আইনের কথা বারবার তুলে ধরা হচ্ছে, যখন অনেকে মনে করেন, ক্ষমতা আসল নিয়ামক। নজরুল ইসলাম খানের মন্তব্য সেই ধারণার বিরুদ্ধে এক চ্যালেঞ্জ—যে আইনের শাসনই রাজনীতির ভিত্তি হওয়া উচিত, নয় কোনো দলের ambition ।
আইনের কথা বললেও ক্ষমতার লোকেরা কি সত্যিই আইনের আওতায় আসবে? ভণ্ডামি কম নয় এখানে।
বিএনপি সত্যিই জনগণের পাশে দাঁড়াবে কিনা সেটা সময়ই বলবে। hope আশা করি তারা আওয়ামী লীগের পথ ধরবে না।
কাউন্সিল হবে বলে কথা দিচ্ছেন, কিন্তু কতদিন আগে থেকে কথা হচ্ছে? delay বিলম্ব কি সত্যিই শেষ হবে?
আইন আর সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে এমন কথা শুনতে ভালো লাগে।
সবাই আইনের কথা বলে, কিন্তু কে আইন কার্যকর করবে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি সত্যিই independent স্বাধীন?
শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এমন বক্তব্য কেন? রাজনীতি কি সবসময় opportunity সুযোগ খুঁজে?