‘আইনের ছায়ায় রাজনীতি’— নজরুল ইসলাম খানের নতুন বার্তা
law ভাঙার ঢাল হাতে কোনো political করার দিন শেষ, স্পষ্ট ভাষায় এমনটাই বললেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান। রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তাঁর মন্তব্য নয়া রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করেছে — কেউ যেন মনে না করে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করেও বিনা প্রতিক্রিয়ায় ফিরে যেতে পারবে। ক্ষমতা চাইলেও, অবৈধতা মানার দিন গেছে, এই হলো বার্তা। তাঁর কণ্ঠে ছিল এক ধরনের warning — মাইক্রোফোন নয়, মুখ্যধারার রাজনীতির অবস্থা নিয়েই চিন্তা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আইনের চোখে সব party সমান। কোনো রাজনৈতিক group যদি রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়ায়, তবে শাস্তি দেবে না বিরোধী দল, দেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই প্রতিক্রিয়া হবে দৃঢ় এবং আইনগতভাবে সঠিক। এখানে রাজনৈতিক পক্ষপাত থাকবে না, থাকবে কেবল রাষ্ট্রের interest । তাঁর ভাষায়, বিএনপি কখনোই জনগণের বিরুদ্ধে কোনো action করবে না — এটি তাদের স্থির নীতি।
তিনি আওয়ামী লীগকে 'পতিত' বলে উল্লেখ করেন, কিন্তু বিএনপির নিজেদের পথে তিনি আশাবাদী। দলের অভ্যন্তরীণ council এখনো শেষ হয়নি, বাধা এসেছিল ফ্যাসিবাদের সময়। কিন্তু এখন সেই সময় কাটিয়ে উঠে দল দ্রুত সব organization মিলিয়ে নিজেকে গুছিয়ে তুলবে। এটা কেবল আইনের কথা নয়, এক ধরনের নবায়নের ঘোষণাও বটে। তাঁর মন্তব্যে লুকিয়ে আছে বিশ্বাস — গণতন্ত্র ফিরবে, কিন্তু নিয়ম মেনে।
এই মন্তব্যগুলো শুধু রাজনৈতিক নয়, তারা এক ধরনের statement হিসাবেও কাজ করছে। বিএনপি আর ফ্যাসিবাদের ছায়ায় দমবে না, আর আইন ভাঙাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করবে না। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট: শক্ত রাষ্ট্র, সুস্থ রাজনীতি। আর সেখানে স্থান নেই অবাধ বিশৃঙ্খলার। আইন যেখানে ক্ষমতার সমতাকারী, সেখানে কারও মাথা উঁচু রাখার কোনো কারণ নেই। নাগরিকদের অধিকার আর স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হলে এটাই হওয়া উচিত নীতি।
আইনের কথা বলছেন, কিন্তু আইন যখন selective নির্বাচিত মানুষের জন্য খাটে, তখন কি এই বার্তা পৌঁছবে?
দলের অভ্যন্তরীণ council কাউন্সিল হচ্ছে না এখনো? তাহলে বাইরে এত দৃঢ় বক্তব্য কেন? আগে ভেতরটা গুছাক।
‘পতিত’ শব্দটা খুব তীক্ষ্ণ। রাজনৈতিক বিবৃতি, কিন্তু এটা কি সত্যি জনগণের কাছে পৌঁছাবে, নাকি শুধু প্রচার?
ফ্যাসিবাদের সময় কাউন্সিল হয়নি — এটা বুঝি। কিন্তু এখন তো সেই সময় নয়। delay বিলম্ব কেন এখনও?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এগিয়ে আনা ঠিক আছে, কিন্তু রাজনীতি কি শুধু আইনের বিষয়?
যদি সত্যিই জনগণের interest স্বার্থ চান, তাহলে রাস্তায় নামুন, কথা শুনুন।