মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানকে চাপে রাখতে চাইছে ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার soldiers পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের ওপর pressure বাড়ানোর লক্ষ্যে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে এবং হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে এই plan হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ—একটি বিমানবাহী রণতরী—নরফোক থেকে রওনা হয়েছে। এর সঙ্গে আরও তিনটি যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় ছয় হাজার সেনা রয়েছেন, যারা শীঘ্রই অঞ্চলে উপস্থিত হবেন।

এই সামরিক জোটের সঙ্গে যুক্ত হবে বক্সার অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ এবং ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের প্রায় ৪,২০০ সদস্য। তাঁদের লক্ষ্য হবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন military presence আরও শক্তিশালী করা। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে অঞ্চলে প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন সেনা রয়েছেন, যারা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানে যুক্ত হতে পারে। নতুন বাহিনী তাদের সঙ্গে support যুগিয়ে দেবে।

ট্রাম্প সরকার আর্থিক চাপও বাড়িয়েছে। ইরানের বন্দরগুলোতে আসা-যাওয়া নৌযানের ওপর অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, যা পারস্য উপসাগরের তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প বলেছেন, এই অবস্থায় যুদ্ধ খুব quickly শেষ হতে পারে এবং গ্যাসের দাম কমবে। এটি মার্কিন ভোটারদের ওপর একটি স্পষ্ট impact ফেলবে।

অন্যদিকে, ইরান হুমকি দিয়েছে যে অবরোধ চলতে থাকলে তারা পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর ও লোহিত সাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বন্ধ করে দেবে। মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি বলেছেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় strong step নেবে। এই প্রতিক্রিয়া অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মার্কিন অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল জেমস ফগো মনে করেন, অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হলে সেন্ট্রাল কমান্ডের হাতে আরও বেশি options থাকবে। তিনি বলেন, 'আপনার কাছে যত বেশি টুল থাকবে, আপনার তত বেশি বিকল্প থাকবে।' হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ট্রাম্প সব options খোলা রেখেছেন, কিন্তু শান্তি আলোচনা যদি ফলপ্রসূ হয়, তাহলে সেটাই প্রাধান্য পাবে। তবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ২২ এপ্রিল শেষ হচ্ছে, আর সময় কমে আসছে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • সঞ্জয়

    এই ধরনের military move আসলে গ্যাসের দাম নামানোর চেয়ে রাজনৈতিক সাফল্যের জন্য বেশি কার্যকর।

  • নীলাঞ্জনা

    ইরান যদি বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়, তাহলে সারা বিশ্বের market কেমন প্রতিক্রিয়া দেবে?

  • অভি

    ট্রাম্প আবার একই কথা বলছেন—যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে। কিন্তু এটা কি বারবারের মতো একটা empty claim হবে?

  • মৌসুমী

    মার্কিন সেনার উপস্থিতি বাড়লে স্থানীয় মানুষজনের ওপরও বড় impact পড়বে। কেউ কি সেটা নিয়ে কথা বলবে?

  • রৌনক

    পেন্টাগন কেন মন্তব্য করতে অস্বীকার করছে? এটা কি প্রেসিডেন্টের direct order নাকি দ্বন্দ্ব?

  • তৃষা

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে এশিয়ার অনেক দেশই জ্বালানির সংকটে পড়বে। এটা শুধু মার্কিন-ইরান সমস্যা নয়।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]