চার বছর পর রিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলল — আইনের ফাঁক নাকি ন্যায়ের জয়?
death নিয়ে তৈরি হওয়া এক জটিল আইনি নাটক শেষ হতে চলেছে রিয়া চক্রবর্তীর জন্য। ২০২০ সালে বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের mysterious মৃত্যুর পর থেকেই তিনি ছিলেন মিডিয়া ও তদন্ত দুইয়ের চোখে। মাদক এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চলেছিল অনবরত চাপ, আর তার ভাই শৌভিক-সহ তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো জব্দ করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো। সেই বাজেয়াপ্তকরণ ছিল এক কালো মেঘের মতো, যা চার বছর ধরে ছায়া ফেলেছিল তাদের জীবনে।
কিন্তু শনিবার এক ঐতিহাসিক রায়ে বিশেষ এনডিপিএস আদালত সেই মেঘ সরিয়ে দিল। রিয়া ও শৌভিকের legal দল যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে, এনসিবি প্রক্রিয়া মানেনি — ১৯৮৫ সালের আইনের ৬৮এফ ধারা অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া mandatory । এনসিবি সেই পদক্ষেপ নেয়নি, আর সেটাই হয়ে উঠল তাদের পক্ষের অস্ত্র। আদালত স্পষ্ট করেছে, নিয়ম অমান্য করায় জব্দকরণ invalid নয়।
এবার থেকে রিয়া ও শৌভিক আবার access পাবেন তাদের নিজেদের অ্যাকাউন্টে। এটি শুধু আর্থিক মুক্তি নয়, এক ধরনের মর্যাদা ফিরে পাওয়ার মুহূর্তও। তাদের আইনজীবী representative আয়াজ খান এবং জেহরা চরণিয়া এই রায়কে relief হিসেবে অভিহিত করেছেন। চার বছরের চাপ, নজরদারি, এবং মিডিয়ার কটূক্তি সহ্য করার পর একটি বিচারপতির ঘোষণা শুধু আইনি জয় নয়, প্রতীকী জয়ও বটে।
তবে এই রায় সুশান্তের মৃত্যুর সম্পূর্ণ রহস্য কাটায়নি। মামলার মূল প্রশ্নগুলো এখনও pending । কিন্তু রিয়ার বিরুদ্ধে একটি বড় আইনি barrier সরে গেছে। সমাজে যারা অভিযুক্ত হয়েছিলেন মিডিয়ায় আগেই, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমান তৈরি করতে পারে। আইনের পথ কখনও rigid , কখনও ধীর — কিন্তু কখনও কখনও সেটা ন্যায়ের দরজা খুলে দেয়।
আইন যখন মানুষের চেয়ে বড় হয়, তখনই ন্যায় হয়। রিয়ার ক্ষেত্রে সেটাই ন্যায় হল।
মিডিয়া ট্রায়ালের পর আদালতের এই রায় কি সত্যিই নিরপেক্ষ ছিল? খুব skeptical সন্দেহ আছে আমার।
৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন নেওয়া হয়নি — এটা কি সত্যিই এতটা significant গুরুত্বপূর্ণ?
আইনের বই খুলে দেখার মতো কাজ হয়েছে, কোনো আবেগ নয়। এটাই হওয়া উচিত ছিল।
সুশান্ত ফিরবে না, কিন্তু আশা করি সত্য কোনোদিন মরবে না।
রিয়ার অ্যাকাউন্ট খুললেও, মানুষের মন থেকে কি সেই সন্দেহ ঘুচবে? সেটাই বড় প্রশ্ন।
৬৮এফ ধারা নিয়ে এতদিন কেউ কথা বলেনি? আইনের এই ফাঁকটা এখন কেন উঠে এল?