আন্তর্জাতিক ‘হুজ হু বাংলাদেশ-২০২৬’ সম্মাননা পেলেন গাকৃবি উপাচার্য ড. মোস্তাফিজুর

বাংলাদেশের agriculture soil science ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান honored হয়েছেন আন্তর্জাতিক ‘হুজ হু বাংলাদেশ-২০২৬’ award দিয়ে। এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়, কারণ এটি বাংলাদেশের গবেষণা ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি global recognition হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

গত শনিবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরস্কারটি প্রদান করেন। এ বছর মোট ১২ জন ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে—education , industry , সাহিত্য এবং journalism -সহ গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার প্রাপ্ত হয়ে ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি তাঁর নিজের নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের কৃষি ও গবেষণা জগতের স্বীকৃতি। তিনি believe করেন, ভবিষ্যতের জন্য টেকসই কৃষি ও পরিবেশ রক্ষার মূল বিষয় হলো গবেষণা। তাঁর লক্ষ্য build একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ।

ড. মোস্তাফিজুর রহমান ২০০৪ সালে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০০৮ সালে অধ্যাপক হন। তিনি জাপানের চিবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁর গবেষণা বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা, চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস-সহ বিভিন্ন উচ্চ প্রতিষ্ঠান তাঁকে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ইউএসডিএ, ড্যানিডা, ইউএসএইড ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত projects মৃত্তিকা স্বাস্থ্য, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধানে কাজ করছে।

‘হুজ হু’ বিশ্বজুড়ে ১৮৪৯ সাল থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অবদান স্বীকার করে আসছে। বাংলাদেশে ২০১৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এটি প্রদান করা হচ্ছে। এ পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃতী ব্যক্তিদের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে inspire করা এবং সমাজে মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও মানবিকতার বোধ জাগ্রত করা।

প্রতিক্রিয়া 8

  • সাগর

    এটা খুব ভালো লাগলো। কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে কেউ স্বীকৃতি পেলে hope জাগে।

  • মৌসুমী

    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন স্বীকৃতি পেলে তো আমাদের দেশের গবেষকদের motivate করে।

  • রিতেশ

    অনেক সময় বিজ্ঞানীরা এত কাজ করেন কিন্তু কেউ নজর দেয় না। এই সম্মাননা অন্তত তাঁদের efforts আলোতে আনছে।

  • তানজিন

    গবেষণার জন্য অর্থায়ন কতটা পাওয়া যায়? এগুলো তো শুধু পুরস্কার না দিয়ে support দিলে বেশি কাজ হত।

  • অনন্ত

    ‘হুজ হু’র মতো প্ল্যাটফর্ম আরও হওয়া দরকার। এটা শুধু পুরস্কার নয়, এটা legacy গড়ে।

  • পিয়াল

    জাপানে পিএইচডি করা আর আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে কাজ করা—এগুলো দেখে respect বাড়ে।

  • নুসরাত

    কৃষির ক্ষেত্রে মাটির স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা অনেকেই বোঝে না। এটা আসলে sustainability মূল ভিত্তি।

  • আরিফ

    টেকসই কৃষি না হলে ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট হবে। গবেষণাকে priority দেওয়া দরকার, না হলে পুরস্কারে কিছুই আসে যায় না।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]