জবি অর্থনীতির সন্তানদের আবেগের মিলন: অ্যালামনাইদের ডাকে গড়ে উঠবে ভবিষ্যত?
university জীবনের শেষ পাতাগুলো ওলটে গেলেও তার স্মৃতি কেটে যায় না। জগন্নাথ economics বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই টান আজও টিকে আছে। সদ্য অনুষ্ঠিত হলো তাদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাধারণ সভা-২০২৬। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে, যেখানে স্নেহ, হাসি আর আবেগের মেলবন্ধনে ভরে উঠেছিল পরিবেশ। এ ধরনের event শুধু পুনর্মিলনই নয়, এক প্রতিষ্ঠানের সাংস্কৃতিক ধারার পুনর্জাগরণ।
speaker হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ এর সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, যিনি নিজেও এ বিভাগের সাবেক ছাত্র। তিনি recall করে বলেন, “কিছু মানুষ সংগঠনের জন্য জন্মায়।” তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে একসময় ছাত্ররা একমঞ্চে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণার দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। আজও সেই ঐক্য বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সর্বাত্মক support দেওয়ার।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনও তাঁদের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেন। তিনি বলেন, অ্যালামনাইদের দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করা উচিত। pride কথা হলো, সাবেক ছাত্রদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছেন। এটি প্রতিষ্ঠানের অর্জন। তিনি ঘোষণা করেন, আগামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আগেই গঠন করা হবে কেন্দ্রীয় association । এ পদক্ষেপ হবে সমন্বিত কাজের এক নতুন অধ্যায়।
উপাচার্য আরও জানান, প্রতিষ্ঠাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর এ প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি স্থাপন করেন। সে কারণে এই তারিখ থেকে ‘ঘোষণা দিবস’ ও ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ একসঙ্গে পালিত হবে। ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, যে কোনো প্রতিষ্ঠানের মর্যাদার ভিত্তি হলো তার অ্যালামনাই। তাঁদের অংশগ্রহণ হবে ভবিষ্যতের অগ্রগতির চাবিকাঠি।
আবেগ আর আনন্দের এই মেলবন্ধন শুধু ভালোবাসা জানানোর দিন নয়, এটি ভবিষ্যতের দিশা নির্দেশ করে। এখানে প্রতিটি হাত মেলানো, প্রতিটি কথা হলো এক প্রতিষ্ঠানের পথচলার উত্তরাধিকার। অতীতের স্মৃতি আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন মিশে যায় এখানে। এমন gathering প্রতিষ্ঠানকে দেয় নতুন প্রাণ। future গড়ার জন্য সবার ভাগীদারিত্ব এখানে স্পষ্ট।
আমাদের সময়কার ঐক্য আবার ফিরে আসছে, এটাই সবচেয়ে বড় hope আশা।
অ্যালামনাইদের প্রকৃত ভূমিকা হবে মেন্টর হিসেবে, না কি কেবল আনুষ্ঠানিক formality আনুষ্ঠানিকতা থেকে বেশি কিছু হবে?
উপাচার্যের কথা শুনে ভালো লাগলো, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় অ্যাসোসিয়েশন গঠনের ঘোষণাটি encouraging উৎসাহজনক।
২ নভেম্বর ঘোষণা দিবস হিসেবে পালন হবে — এটা সত্যিই এক ঐতিহাসিক moment মুহূর্ত।
সব ভালো শোনাচ্ছে, কিন্তু কীভাবে সহযোগিতা হবে, সেটা কি কোনো রোডম্যাপ আছে?
আবেগের চেয়ে বড় কিছু হয় না, কিন্তু আবেগের পাশাপাশি কাজের পরিকল্পনা দরকার।
আগামী দিনের ছাত্রদের জন্য এমন মঞ্চ গুরুত্বপূর্ণ। নেটওয়ার্কিং তো ক্যারিয়ারের একটা বড় দিক।
খোকন ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দিল সেই সংগ্রামের দিনগুলো। আজও সেই আদর্শ কাজ করুক।